মিডলক্লাস এভারেজ স্টুডেন্টদের উদ্যোক্তা হবার আগে কেন 'চাকরি' করা জরুরি? episode artwork

EPISODE · Nov 11, 2025 · 3 MIN

মিডলক্লাস এভারেজ স্টুডেন্টদের উদ্যোক্তা হবার আগে কেন 'চাকরি' করা জরুরি?

from The Growth Curve · host Learning Bangladesh

***এই পোস্টটি শুধুমাত্র মিডলক্লাস + একাডেমিক্যালি পিছিয়ে থাকা +  একদম ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েটদের জন্য।*** আমার মতো মিডক্লাস ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে উঠে আসা অনেক স্টুডেন্ট আছেন, যারা পড়াশোনাতেও ভালো না আবার এক্সট্রা ক্যারিকুলাম এক্টিভিটিজ নাই + নিয়ম শৃঙ্খলা ও ক্যারিয়ার নিয়ে সিরিয়াসনেস গ্র্যাজুয়েশনের আগে ছিল না। হুট করে ২০-২৪ বছরে এসে, গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর রিয়েলাইজ করলেন, এই বাদাইম্মা জীবন, রেজাল্ট, লাইফ স্টাইল নিয়ে ভালো কিছুই সম্ভব না। যারা এই ধরণের রিয়েলাইজেশনের মধ্যে আছেন, প্রথমই আপনাকে ধন্যবাদ, যে এটলিস্ট আপনি আপনার কারেন্ট কন্ডিশন রিয়েলাইজ করতে পারছেন! 😅 এই রিয়েলাইজেশন আশা মানেই হচ্ছে আপনার ৫০% কাজ কিন্তু ডান। আপনাকে এখন চিন্তাভাবনা করে স্টেপ নিয়ে আগাতে হবে। স্টেপ #১ - প্রথমত, আপনাকে ওভার এক্সপেক্টেশন ঝেড়ে ফেলতে হবে। বন্ধুরা অনেক ভালো স্যালারিতে জব পাচ্ছে দেখে আপনাকেও পেতে হবে, এই আশা বাদ দিতে হবে + এই লোভ থেকেও বের হয়ে আসতে হবে। আপনাকে খুব চিন্তা ভাবনা করে এমন একটা ইন্ডাস্ট্রির এমন একটা জব চুজ করতে হবে যেটাতে আপনার প্যাশন আছে, বা প্যাশন না থাকলেও র‍্যাট রেইসে পরার সম্ভবনা কম আছে। যদি, প্যাশন থাকে - তাহলে তো ভালোই হলো। আপনি জাস্ট সেই প্যাশনের ইন্ডাস্ট্রির পছন্দের পজিশনে টাকার কথা চিন্তা না করে, জাস্ট ইন্ডাস্ট্রিতে এন্ট্রি নেওয়ার চেষ্টা করেন। গতানুগতিক ভাবে, জব সার্কুলার এর দিকে তাকিয়ে না থেকে সপ্তাহে ২ দিন সময় নিয়ে পছন্দের ইন্ডাস্ট্রির সব প্রতিষ্ঠান, ম্যানেজমেন্ট পজিশনে যারা আছেন, তাদের লিংকডইন, ফেইসবুক, ইন্সটাগ্রাম, ইউটিউব পডকাস্ট, সব জায়গার লিংক একটা স্প্রেডশিটে উঠিয়ে ফেলুন। এরপর ওয়ার্ম আপ শুরু করেন, মানে তাদের পাবলিক পোস্টে যান। বুঝে শুনে AI এর হেল্প 'না নিয়ে' মনের কথা 'রিলিভেন্সি' রেখে কমেন্ট করুন। সহমত ভাই না হয়ে, কনস্ট্রাকটিভ কমেন্ট করুন, যেন বিরক্ত না হয়ে বরং আপনার সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে উঠে। এভাবে, ১৫ দিন পর এরপর ফ্রেন্ড বা কানেকশন রিকোয়েস্ট পাঠান। এরপর এক্সেপ্ট করলে উনার সাথে, উনার আন্ডারে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন, নিজের 'কাস্টমাইজড' রেজ্যুমেটা দেন। মাস্ট ওয়ার্কআউট করবে। নোট: কোন ভাবে খাজুরে আলাপ, শইলডা ভালা'নি টাইপের ম্যাসেজ পাঠাবেন না। একদম অনপয়েন্ট, 'ভ্যালু ড্রিভেন' কনভার্সেশন স্টাইলে আগাতে হবে। আর যদি প্যাশন না থাকে, তাহলে এমন জব পজিশনে ঢুকার চেষ্টা করুন, যেখানে 'র‍্যাট রেইসে' পরার সম্ভবনা কম। অর্থাৎ নিজের জন্য, নিজের প্যাশন খুঁজে পাওয়ার জন্য আপনি প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় ভাবতে পারবেন, রিসার্চ করতে পারবেন - এরকম একটা জবে ঢুকেন। প্রতিষ্ঠান এর সাইজ, জব পজিশন, বা টাকার দিকে প্লিজ তাকাইয়েন না। আপনার মূল লক্ষ্য হবে নিজের জন্য এমন একটা ক্যারিয়ার পাথ খুঁজে বের করা যেটাতে আপনি প্যাশন ফিল করবেন, কাজ করে কখনো সেভাবে টায়ার্ড ফিল করবেন না। রিটায়ার্ডমেন্টে যাওয়ার প্ল্যান থাকবে না। যারা এরকম ক্যারিয়ার খুঁজে বের করতে পারে, তারা ক্যারিয়ার, বিজনেস, পার্সোনাল লাইফ - সব জায়গাতেই ফাইনালি ভালো করে।নোট: যেই ইন্ডাস্ট্রির যেই জবেই ঢুকেন না কেন, অন্তত বছর খানেক থেকে দেখেন এক্সপেরিয়েন্স কি পান। এক বছরের কম কোন প্রতিষ্ঠানে থাকার রেকর্ড মানে হচ্ছে, আপনার + উক্ত প্রতিষ্ঠান এর ভিতরে ঘাপলা আছে। স্টেপ #২ - জব কতদিন করবেন, সেটার টাইমলাইন বা ডেডলাইন আগেই সেট করে ফেলুন। আর এই টাইমলাইনের মধ্যে নিজের হার্ড স্কিল ডেভলপমেন্ট এর পাশাপাশি সফটস্কিল, আরো ন্যারো করে বললে লিডারশীপ স্কিল + বেশ বড় টিমের ম্যানেজার হয়ে একটা লম্বা সময় ও এক্সপেরিয়েন্স গ্যাদার করুন। আর অবশ্যই অবশ্যই যেসব কারণে পড়ালেখায় পিছিয়ে ছিলেন, সেই সব গুণ ধীরে ধীরে অর্জন করে ফেলুন। নোট নেওয়ার অভ্যাস, একটা ডিসিপ্লিন্ড লাইফস্টাইলে নিজেকে নিয়ে আসার অভ্যাস, প্রোপারলি কমিউনিকেশন করার অভ্যাস... প্রেজেন্টেশন, পাবলিক স্পিকিং, প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, গোল ও টার্গেট ধরে ধরে সেটা এচিভ করার মাইন্ডসেট + অভ্যাস। আর সেটা থেকে টিম নিয়ে সেলিব্রেশন করা - সব আপনাকে শিখতে হবে। স্টেপ #৩ - বিজনেস দেওয়ার জন্য প্রোপার ট্রাঞ্জিশন টাইম, ফাইন্যান্সিং, ব্যাক আপ ফাইন্যান্সিং প্ল্যান, নেটওয়ার্কিং - সব এনসিউর করে তারপর মাঠে নামতে হবে। আমি ভিডিওতে ক্রেডিট কার্ড/ডুয়েল কারেন্সি কার্ড বা স্যালারির এগেন্সটে ব্যাংক লোন এর কথা বলেছি। এভাবে আমি নিজে ব্যাবসা শুরু করেছিলাম দেখে বলার সাহস পেয়েছি, তবে এই শুধু টাকার ব্যাক আপনাকে বিজনেস দাঁড়া করিয়ে দিবে না। আপনার বিজনেস চালানোর ফান্ডামেন্টাল নলেজ, মার্কেটিং, সেলস, নেটওয়ার্ক - সব হলেই তখন সম্ভব হবে। আমি এখানে ৩টি স্টেপ নিয়ে কথা বললাম, আমার নিউজলেটারে আরো কিছু স্টেপ, ও স্ট্র্যাটেজি নিয়ে বিস্তারিত লেখার প্ল্যান আছে, তাই নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করে রাখতে পারেন। 💌

***এই পোস্টটি শুধুমাত্র মিডলক্লাস + একাডেমিক্যালি পিছিয়ে থাকা +  একদম ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েটদের জন্য।*** আমার মতো মিডক্লাস ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে উঠে আসা অনেক স্টুডেন্ট আছেন, যারা পড়াশোনাতেও ভালো না আবার এক্সট্রা ক্যারিকুলাম এক্টিভিটিজ নাই + নিয়ম শৃঙ্খলা ও ক্যারিয়ার নিয়ে সিরিয়াসনেস গ্র্যাজুয়েশনের আগে ছিল না। হুট করে ২০-২৪ বছরে এসে, গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর রিয়েলাইজ করলেন, এই বাদাইম্মা জীবন, রেজাল্ট, লাইফ স্টাইল নিয়ে ভালো কিছুই সম্ভব না। যারা এই ধরণের রিয়েলাইজেশনের মধ্যে আছেন, প্রথমই আপনাকে ধন্যবাদ, যে এটলিস্ট আপনি আপনার কারেন্ট কন্ডিশন রিয়েলাইজ করতে পারছেন! 😅 এই রিয়েলাইজেশন আশা মানেই হচ্ছে আপনার ৫০% কাজ কিন্তু ডান। আপনাকে এখন চিন্তাভাবনা করে স্টেপ নিয়ে আগাতে হবে। স্টেপ #১ - প্রথমত, আপনাকে ওভার এক্সপেক্টেশন ঝেড়ে ফেলতে হবে। বন্ধুরা অনেক ভালো স্যালারিতে জব পাচ্ছে দেখে আপনাকেও পেতে হবে, এই আশা বাদ দিতে হবে + এই লোভ থেকেও বের হয়ে আসতে হবে। আপনাকে খুব চিন্তা ভাবনা করে এমন একটা ইন্ডাস্ট্রির এমন একটা জব চুজ করতে হবে যেটাতে আপনার প্যাশন আছে, বা প্যাশন না থাকলেও র‍্যাট রেইসে পরার সম্ভবনা কম আছে। যদি, প্যাশন থাকে - তাহলে তো ভালোই হলো। আপনি জাস্ট সেই প্যাশনের ইন্ডাস্ট্রির পছন্দের পজিশনে টাকার কথা চিন্তা না করে, জাস্ট ইন্ডাস্ট্রিতে এন্ট্রি নেওয়ার চেষ্টা করেন। গতানুগতিক ভাবে, জব সার্কুলার এর দিকে তাকিয়ে না থেকে সপ্তাহে ২ দিন সময় নিয়ে পছন্দের ইন্ডাস্ট্রির সব প্রতিষ্ঠান, ম্যানেজমেন্ট পজিশনে যারা আছেন, তাদের লিংকডইন, ফেইসবুক, ইন্সটাগ্রাম, ইউটিউব পডকাস্ট, সব জায়গার লিংক একটা স্প্রেডশিটে উঠিয়ে ফেলুন। এরপর ওয়ার্ম আপ শুরু করেন, মানে তাদের পাবলিক পোস্টে যান। বুঝে শুনে AI এর হেল্প 'না নিয়ে' মনের কথা 'রিলিভেন্সি' রেখে কমেন্ট করুন। সহমত ভাই না হয়ে, কনস্ট্রাকটিভ কমেন্ট করুন, যেন বিরক্ত না হয়ে বরং আপনার সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে উঠে। এভাবে, ১৫ দিন পর এরপর ফ্রেন্ড বা কানেকশন রিকোয়েস্ট পাঠান। এরপর এক্সেপ্ট করলে উনার সাথে, উনার আন্ডারে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন, নিজের 'কাস্টমাইজড' রেজ্যুমেটা দেন। মাস্ট ওয়ার্কআউট করবে। নোট: কোন ভাবে খাজুরে আলাপ, শইলডা ভালা'নি টাইপের ম্যাসেজ পাঠাবেন না। একদম অনপয়েন্ট, 'ভ্যালু ড্রিভেন' কনভার্সেশন স্টাইলে আগাতে হবে। আর যদি প্যাশন না থাকে, তাহলে এমন জব পজিশনে ঢুকার চেষ্টা করুন, যেখানে 'র‍্যাট রেইসে' পরার সম্ভবনা কম। অর্থাৎ নিজের জন্য, নিজের প্যাশন খুঁজে পাওয়ার জন্য আপনি প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় ভাবতে পারবেন, রিসার্চ করতে পারবেন - এরকম একটা জবে ঢুকেন। প্রতিষ্ঠান এর সাইজ, জব পজিশন, বা টাকার দিকে প্লিজ তাকাইয়েন না। আপনার মূল লক্ষ্য হবে নিজের জন্য এমন একটা ক্যারিয়ার পাথ খুঁজে বের করা যেটাতে আপনি প্যাশন ফিল করবেন, কাজ করে কখনো সেভাবে টায়ার্ড ফিল করবেন না। রিটায়ার্ডমেন্টে যাওয়ার প্ল্যান থাকবে না। যারা এরকম ক্যারিয়ার খুঁজে বের করতে পারে, তারা ক্যারিয়ার, বিজনেস, পার্সোনাল লাইফ - সব জায়গাতেই ফাইনালি ভালো করে।নোট: যেই ইন্ডাস্ট্রির যেই জবেই ঢুকেন না কেন, অন্তত বছর খানেক থেকে দেখেন এক্সপেরিয়েন্স কি পান। এক বছরের কম কোন প্রতিষ্ঠানে থাকার রেকর্ড মানে হচ্ছে, আপনার + উক্ত প্রতিষ্ঠান এর ভিতরে ঘাপলা আছে। স্টেপ #২ - জব কতদিন করবেন, সেটার টাইমলাইন বা ডেডলাইন আগেই সেট করে ফেলুন। আর এই টাইমলাইনের মধ্যে নিজের হার্ড স্কিল ডেভলপমেন্ট এর পাশাপাশি সফটস্কিল, আরো ন্যারো করে বললে লিডারশীপ স্কিল + বেশ বড় টিমের ম্যানেজার হয়ে একটা লম্বা সময় ও এক্সপেরিয়েন্স গ্যাদার করুন। আর অবশ্যই অবশ্যই যেসব কারণে পড়ালেখায় পিছিয়ে ছিলেন, সেই সব গুণ ধীরে ধীরে অর্জন করে ফেলুন। নোট নেওয়ার অভ্যাস, একটা ডিসিপ্লিন্ড লাইফস্টাইলে নিজেকে নিয়ে আসার অভ্যাস, প্রোপারলি কমিউনিকেশন করার অভ্যাস... প্রেজেন্টেশন, পাবলিক স্পিকিং, প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, গোল ও টার্গেট ধরে ধরে সেটা এচিভ করার মাইন্ডসেট + অভ্যাস। আর সেটা থেকে টিম নিয়ে সেলিব্রেশন করা - সব আপনাকে শিখতে হবে। স্টেপ #৩ - বিজনেস দেওয়ার জন্য প্রোপার ট্রাঞ্জিশন টাইম, ফাইন্যান্সিং, ব্যাক আপ ফাইন্যান্সিং প্ল্যান, নেটওয়ার্কিং - সব এনসিউর করে তারপর মাঠে নামতে হবে। আমি ভিডিওতে ক্রেডিট কার্ড/ডুয়েল কারেন্সি কার্ড বা স্যালারির এগেন্সটে ব্যাংক লোন এর কথা বলেছি। এভাবে আমি নিজে ব্যাবসা শুরু করেছিলাম দেখে বলার সাহস পেয়েছি, তবে এই শুধু টাকার ব্যাক আপনাকে বিজনেস দাঁড়া করিয়ে দিবে না। আপনার বিজনেস চালানোর ফান্ডামেন্টাল নলেজ, মার্কেটিং, সেলস, নেটওয়ার্ক - সব হলেই তখন সম্ভব হবে। আমি এখানে ৩টি স্টেপ নিয়ে কথা বললাম, আমার নিউজলেটারে আরো কিছু স্টেপ, ও স্ট্র্যাটেজি নিয়ে বিস্তারিত লেখার প্ল্যান আছে, তাই নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করে রাখতে পারেন। 💌

NOW PLAYING

মিডলক্লাস এভারেজ স্টুডেন্টদের উদ্যোক্তা হবার আগে কেন 'চাকরি' করা জরুরি?

0:00 3:49

No transcript for this episode yet

We transcribe on demand. Request one and we'll notify you when it's ready — usually under 10 minutes.

Frequently Asked Questions

How long is this episode of The Growth Curve?

This episode is 3 minutes long.

When was this The Growth Curve episode published?

This episode was published on November 11, 2025.

What is this episode about?

***এই পোস্টটি শুধুমাত্র মিডলক্লাস + একাডেমিক্যালি পিছিয়ে থাকা +  একদম ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েটদের জন্য।*** আমার মতো মিডক্লাস ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে উঠে আসা অনেক স্টুডেন্ট আছেন, যারা পড়াশোনাতেও ভালো না আবার এক্সট্রা ক্যারিকুলাম এক্টিভিটিজ নাই + নিয়ম...

Can I download this The Growth Curve episode?

Yes, you can download this episode by clicking the download button on the episode player, or subscribe to the podcast in your preferred podcast app for automatic downloads.
URL copied to clipboard!