-
36
SanTrash Ebong..
সন্ত্রাস এবং ..... ----------------------------- ( কোথাও সন্ত্রাসীরা সন্ত্রাস চালাতে পারলে সেখানে দর্শকেরা প্রত্যেকে সমানভাবে দায়ী.. ) যে কোনো মহল্লায় মুষ্টিমেয় কয়েকজন সন্ত্রাসী তাদের কীর্তিকলাপ চালানোর সুযোগ নেয়। যদিও এরা নিজেদেরকে দলীয় কর্মী হিসেবে পরিচয় দেয়, এদের পিছনে কোনো রাজনৈতিক দলীয় সমর্থন নেই, --এদের ওপর কোনো দলীয় নিয়ন্ত্রণ নেই। এমনকি প্রচলিত আইন-শৃঙ্খলা-রক্ষাকারী বাহিনী দিয়েও এদেরকে নিয়ন্ত্রণে আনা এজন্যেই সম্ভব নয় যে, এদেরকে জীবিতাবস্থায় গ্রেফতার করলে কিছু প্রভাবশালী ( সমাজে মান্যগণ্য হিসেবে প্রকাশিত ) তাদের জামিনদার হ’য়ে তাদেরকে অক্ষত অবস্থায় বের ক’রে আনে। ঐ প্রভাবশালীদেরকে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের অস্তিত্ব হারানোর ভয়ে সমঝে চলতে বাধ্য হয়, যে-কারণে নিতান্ত নিরুপায় হয়েই 'ক্রসফায়ার'-এর নির্বিচার হত্যাকাণ্ডকেও তারা আপাত অনিবার্য সমাধান হিসেবে গণ্য করতে বাধ্য হচ্ছে। কোনো এলাকায় সকলেই সন্ত্রাসী হলে ঐ এলাকায় যে কোনো সন্ত্রাসি-কর্মকাণ্ড ঘটবে না, তা’ নতুন ক’রে বলার অপেক্ষা রাখে না। পরিবেশ সুযোগ দেয় জন্যেই যেকোনো মহল্লায় হাতেগোণা কয়েকটা সন্ত্রাসী তাদের সন্ত্রাসি-কর্মকাণ্ড চালায়। সন্ত্রাসীদেরও প্রাণের মায়া আছে, --এরা ভয় পায় কেবল গণপিটুনিকে, কেননা, কেউ গণরোষের শিকার হলে তার জন্যে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে 'সমাজে মান্যগণ্য হিসেবে প্রকাশিত' কেউ উদ্ধারকারী হিসেবে দাঁড়িয়ে নিজেকে উলঙ্গ করতে চায় না। সমাজকে সকলেই ভয় পায়। বিভিন্ন মতাদর্শের লোকেরা কেউ কারো মতো নয়, তবে তারা সকলে মিলে সমঝোতার শৃঙ্খলকে মেনে নেয়ার মাধ্যমেই শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থান করে, যাকে আমরা সমাজবদ্ধতা হিসেবে জানি। আমি যদি সমাজকে মানতে না-চাই তো, --আমার জন্যে অপেক্ষমান গোঁয়ার, একগুঁয়ে, সমাজবহির্ভূত, একঘরে, --ইত্যাদি ইত্যাদি এমন সব পদবিগুলো; --যেগুলোকে কোনো সুস্থ্ মানসিকতা নিয়ে ধারণ করা যায় না, তবে আমি যদি উন্মাদ হই তো সেটা তখন ভিন্ন প্রসঙ্গ, --যখন সমাজ সমাজের দায়িত্ব হিসেবে আমাকে ধ’রে-বেঁধে উন্মাদাশ্রমে পাঠাতে অথবা একঘরে ক’রে রাখতে বাধ্য হয়। প্রাণিকুলে দুর্বলতায় শ্রেষ্ঠতম জন্যেই কোনো মানবাকৃতির প্রাণী কখনো একা একা নিজেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করতে পারে না, তাই তাকে বাধ্য হ’য়ে সমাজের বন্ধনকে মেনে নিতেই হয়। তারাই সমাজের শত্রু , --যারা ভিন্ন মতাদর্শধারীকে শ্রদ্ধা না-ক’রে বরং নিজেদের মতাদর্শের বিচারে অন্যদেরকে ভিত্তিহীন ব’লে ব’লে নিজেদেরকে শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার সাজাতে চেয়ে সামাজিক বন্ধনকে দুর্বল ক’রে তোলে। সন্ত্রাস কোনো বিশেষ দলের বা কোনো বিশেষ মতাদর্শধারীর সমস্যা নয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতোই সন্ত্রাস একটি সার্বজনীন আপদ, যা’ কি-না সামাজিক ব্যাধি হিসেবেই চিহ্নিত। কেবল সমাজবদ্ধ মানবসন্তানেরা সমন্বিতভাবে চাইলেই সন্ত্রাসের মতো একটা সামাজিক ব্যাধিকে দমানো সম্ভব। যথারীতি --এরই সূত্র ধ’রে ধ’রে আমি চাই, --যে-কেউ নিত্য সাক্ষাতে কুশল বিনিময়ের পরপরই যেন আমাকে জিজ্ঞেস করে, '--ক্যামোন আছে তোমার প্রতিবেশী?'.. .. গণকরণিক : আখতার২৩৯ ##### ২৯/০৭/২০১০খ্রি: ***** সন্ত্রাসীদের কোনো সীমানাবদ্ধ ভূখণ্ড বা রাষ্ট্র নেই https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151799631917582 ***** সন্ত্রাস এবং ..... https://www.facebook.com/note.php?note_id=412404592581 ***** স্থিতি স্থাপক https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10150469637317582
-
35
Sampwad ShuRakkhaay RaashTrer DaeyBaddhotaa
সম্পদ সুরক্ষায় রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা --------------------------------------------- রাষ্ট্র আমার কাছে হিসেব চাওয়ার আগেই আমি আমার দৃশ্যমান সম্পদের হিসেব খুলে মেলে ধরতে চাই যেন একজন যোগ্য নাগরিকের মর্যাদাটুকু রাষ্ট্রের কাছ থেকে আমি দাবি করতে পারি। এখানে এমনও কিছু লোক আছে যারা এখনো জানে না যে, রাষ্ট্রের অস্তিত্বের স্বার্থেই রাষ্ট্রের যোগ্য নাগরিকদের অর্জিত বৈধ সম্পদকে পাহারা দেওয়া রাষ্ট্রের কর্তব্য। হিসেবের বাইরের সম্পদগুলো রাষ্ট্রের সম্পদ হিসেবেই গণ্য এবং রাষ্ট্রকে দেখিয়ে না-দেওয়া পর্যন্তই ওগুলো লুটতরাজের মাধ্যমে হাতবদল করানো সম্ভব। যোগ্য নাগরিকের মর্যাদা পেতে চায় না অবৈধ দখলদারেরা, বরং কাড়াকাড়ির মধ্যেই তারা মজা পায় এবং যেকোনো সম্পদকে রাষ্ট্রের হিসেবের বাইরে রাখলেই তাদের জন্যে ভালো। অযোগ্যরা রাষ্ট্রকে দায়মুক্ত রাখতেই পছন্দ করে। যারা জানে তারাই জানে যে, হিসেবের বাইরের কোনো সম্পদের কোনো ক্ষতি হ’লে পরে, কোনো ব্যক্তিমালিককে ঐ ক্ষতি পুষিয়ে দিতে কোনো রাষ্ট্রই কখনো দায়বদ্ধ নয়। গণকরণিক : আখতার২৩৯ ##### ২৪/০৩/২০১৪খ্রি: ***** জনগণের চাহিদাপত্র, ১৩/১১/২০১৩, বাংলাদেশ https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151791530027582 ****** ছিঃছিঃক্যামেরা https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10150886651877582 ****** পূর্বপ্রস্তুতি : ১১(এগারো) https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151733366087582 ***** সম্পদ সুরক্ষায় রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152052996352582 ***** যেখানে যখন যা’ যোজনীয় https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151743174717582
-
34
Jotil ShayTaani ChaRiTrEr Sarol AnuBaad
জটিল শয়তানি চরিত্রের সরল অনুবাদ ------------------------------------------------------- যখন আমাদের হাতে কোনো মানবসন্তান নিরাপদ নয়, গণরোষ থেকে আত্মরক্ষা করার জন্যে আমাদেরকে ধার্মিকের বেশ ধারণ করতেই হয়। মা-বাবার অবাধ্য অথবা অভিভাবকহীন কর্মবিমুখ অতিলোভীদেরকে খুব সহজেই আমরা আমাদের ভক্ত বানাতে পারি। যেকোনোভাবে কৌশলে তাদেরকে সংসার, সমাজ এবং ধর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন ক’রে নিতে পারলে, তারাই আমাদের অন্ধ ভক্তে পরিণত হয়। যেকোনো নতুন একটা ক্ষুদ্র এলাকাতে প্রথম ভক্তটিকে গ’ড়ে তুলতে কিছু লম্বা সময় ব্যয় হয়। তবে ঐ একজনকে আমাদের ভক্ত বানাতে পারলেই যথেষ্ট, সে তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু-বান্ধবীদের মধ্য থেকে অনেককেই টেনে আনে, এর পর এভাবেই খুব কম সময়ের মধ্যেই বিশাল সংখ্যক দর্শক এবং ভক্তের সমাগম ঘটে আমাদের চারপাশে। কেউ কেউ নিজেরাই আসে। সময়ের সাথে সাথে সমতালে ঐ সংখ্যাটি বাড়তে থাকে। আসা-যাওয়াও চলতে থাকে স্বাভাবিক গতিতে। সামাজিক সংসারমুখী, কর্মমুখী ধার্মিকেরা ঘরমুখো হয় কর্তব্যের ডাকে, কিন্তু, কর্মবিমুখ অতিলোভীরা সভ্যদের সমাজে আর ফিরে যায় না। সংসারের মায়া তারা স্বেচ্ছায় ত্যাগ করে এবং আমাদের সঙ্গে থেকে থেকে তারা আমাদের ভক্তে পরিণত হয়। ঐশী ধর্মগ্রন্থগুলো আমরা তাদের ধরাছোঁয়ার বাইরেই রাখি এবং আমাদের সাজানো নিয়ম-পদ্ধতিগুলোকে ধর্মগ্রন্থের ব্যাখ্যা হিসেবে চালিয়ে, পড়িয়ে-শুনিয়ে, তাদেরকে আমাদের ভক্ত বানাই। তাদের মধ্যে হিংস্রতাকে জাগিয়ে তোলার মাধ্যমেই আমরা আমাদের শয়তানি চালাই। ( যেভাবে বিবেকবানেরা আবেগ-তাড়িতদের শত্রু, সেভাবেই মানুষ এখানে শয়তানের শত্রু। আমরা যখন শয়তানিতে লিপ্ত,- নৈতিক বিধানেই, মানুষের সাথে সমঝোতা তখন আমাদের জন্যে অবৈধ, এবং নিশ্চয়ই, নীতিশাস্ত্রের অস্তিত্বের স্বার্থেই শত্রুকে ধ্বংস করার চেষ্টা চালিয়ে যেতে আমরা বাধ্য। আমাদের নাগালের কোনো মানবসন্তানকে নিরাপদে রাখাটা আমাদের জন্যে বৈধ নয় বা শাস্ত্রসম্মত নয়। ) দীক্ষা পাওয়া ভক্তদের মধ্য থেকে অনেকে এমনভাবে গ’ড়ে ওঠে, যারা আমাদের নির্দেশে, এমনকী তাদের নিকটাত্মীয়গণকে হত্যা ক’রে ক’রে অবশেষে আত্মঘাতী হওয়ার মধ্যেও স্বর্গপ্রাপ্তির নিশ্চয়তা পেয়ে যায় তাদের জীবদ্দশাতেই। ভক্তদের মাঝে আমাদের গুরুত্ব যেকোনো ধর্মের বাণীবাহক বা বিধাতার প্রেরিত দূতগণের চেয়েও বেশি। তাদের ভক্তির তেজ এতই তীব্র যে, ধর্মের গ্রন্থগুলো থেকে আমাদের বিরুদ্ধে কোনো বিধানের বাণী প’ড়ে শোনালে কিম্বা কোনো নিদর্শন দেখিয়ে দিলেও তারা তা’ মেনে নিতে পারে না। প্রতিষ্ঠিত গ্রন্থগুলোকেও দূরে ছুড়ে ফেলে দেবে তারা, কিন্তু ভক্তির আসন থেকে আমাদেরকে নড়াতে পারে না। যুক্তি আর ব্যাখ্যায় এমনভাবেই পাণ্ডিত্যপূর্ণ দীক্ষায় তাদেরকে দক্ষ বানিয়ে আমরা মানব-সমাজে ছেড়ে দেই যে, ধর্মালোচনায় তাদের সাথে তর্কে পেরে ওঠা কোনোভাবেই কখনোই কোনো সাধারণ ধার্মিকের পক্ষে সম্ভব নয়। শয়তানিতে লিপ্ত এই আমাদের আত্মগোপন এবং নিরাপত্তার জন্যে আত্মত্যাগ করতে করতেও আমাদের ভক্তরা বেহেস্তের বাগানের ঘ্রাণ পায়। এমনকী, মানব-সভ্যতায় আমাদের ভক্তরূপে তারা কিছু করতে গিয়ে কখনো ধরা পড়লে, বন্দিদশায় চরম কষাঘাত থেকে তাদেরকে মুক্ত করার জন্যে তাদের পক্ষে আমরা যখন জামিনদার হ’তে পারি না, আঘাতের তালে তালে উত্তেজিত অতি-চেতনায় তারা তখন স্বর্গীয় সুধামৃতের মাদকতায় অপ্সরীর নৃত্যরত দৃশ্য উপভোগ করে। অনুবাদক : আখতার২৩৯ ##### ১২/০১/২০১৫খ্রি:
-
33
Satta ProKaashE Vaashaar ApurNata
সত্য প্রকাশে ভাষার অপূর্ণতা ----------------------------------- আমার ভাষা কখনো যদি তুমি বুঝেছো- বুঝতে পারো, তাহলে নিঃসন্দেহে ভেবে নিয়ো, সত্যটা আমি তখনো পুরোপুরি প্রকাশ করতে পারিনি। আর, আমার ব্যর্থতার অপূর্ণ ঐ অংশটাকে ফাঁকা পেয়ে, কিছু মিথ্যাও, সম্ভাবনার ভিড়ে, তাজা সত্য সেজে, তোমার বোধনে যে ঢুকে পড়েনি, তা’ নিশ্চিতভাবে তখন বলতে পারো না তুমি। (***** কোনো সত্যের প্রকাশটা কোথাও পূর্ণভাবে কারো বোধনে স্থান পেলে, সেটা তার বোধনকে থামিয়ে আত্মজিজ্ঞাসাতে জেগে ওঠা চেতনার ‘কিন্তু এভাবে ক্যানো?’- চিরন্তন ঐ প্রশ্নটাকেই ভাসিয়ে তোলে। অনিবার্যতার কাছে নত হ’য়ে স্বাভাবিক কিছুকে মেনে নিতে যদিও কারো বোধনের কোনো আপত্তি নেই, তবুও বোধনের জাগতিক ঘুরপাকে ‘কিন্তু-ক্যানো ক্যানো-কিন্তু ছকে বাঁধা’- তার ঐ ‘বুঝলাম, ঠিক-ই আছে। কিন্তু এভাবে ক্যানো?’- রোমন্থনটাই তাকে জিজ্ঞাসায় ভাসায় -এ যেন, -‘যেভাবে পেয়েছে সেভাবে নয়, বরং, অন্য কোনোভাবে যদি সত্যটা প্রকাশ পেতো’- সেটাই যেন ছিল তার প্রত্যাশায়। -----সত্যটা সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পেলে... ) করণিক : আখতার২৩৯ ***** সত্যটা সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পেলে... https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152891181952582 ***** সত্য প্রকাশে ভাষার অপূর্ণতা https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152888910037582
-
32
GhRiinNwa UddeshWa ProNoDito ShoiTaanii
ঘৃণ্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত শয়তানি # ০১০ ***** যারা অন্যদের ধর্মীয় শৃঙ্খলাকে শ্রদ্ধা করে না, ধার্মিকের পোশাকে সেজে যারা ভিন্নধর্মীদের প্রতি আঘাত হানাতে জানোয়ারের মতো মজা পায় কিম্বা ফ্যাসাদ কোন্দলে জড়ানোতে নিজের দলটিকে শয়তানি উৎসাহের জোগান দেয় আবার নিজেদেরকেই ধার্মিক রূপে পরিচয় দেয়, তাদেরকে ধার্মিক ব’লে স্বীকৃতি দেওয়াটা নিঃসন্দেহে মহাশয়তানি,- আমরা তো এভাবেই জানি এবং বুঝি,- আমরা কি ভুল বুঝেছি? বিকৃত ব্যাখ্যার মাধ্যমে ধর্মের বাণীগুলোকে যারা ব্যবসায়ে খাটায় আর সামাজিক বিশৃঙ্খলাই যাদের ব্যবসাকে গতিময় রাখে, তারাই তো সফল ধর্মব্যবসায়ী। এই ব্যবসায়ীগুলোকে ধার্মিকের সমান মর্যাদা দেওয়া আর ধার্মিকদেরকে অপদস্থ করা, সমান অপরাধ এবং নিঃসন্দেহে ঘৃণ্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত শয়তানি। ‘ধর্মব্যবসায়ী’ এবং ‘ধার্মিক’ যেমন কখনোই সমার্থক নয়, তেমনি প্রতারক এবং সত্যাচারীকে একই ধরণের আচরণধারী ভাবাটাও কোনো বিবেচকের উচিত নয়,- এই জ্ঞানটুকুই আমরা পেয়ে এসেছি বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ প’ড়ে প’ড়ে এবং ধার্মিকদের কাছ থেকে ধর্মের বাণী শুনে শুনে। গণকরণিক : আখতার২৩৯ ##### ২৮/০৭/২০১৪খ্রি: ######################################## ঘৃণ্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত শয়তানি # ০১০ https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152305482412582 শান্তির সর্বজনীনতা https://www.facebook.com/note.php?note_id=10150287048327582 স্বেচ্ছাচারীকে ধার্মিক সাজিয়ে দেখানো হ’লে … https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151981850172582 ধার্মিকেরা স্বেচ্ছাচারী নয় https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10150850477312582 আত্মরক্ষাই ধার্মিকদের কর্তব্য https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152173537547582 ফ্যাসাদিরা কখনোই ধার্মিক নয় https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152371975817582 আমাকে সে আজও সেজদা করেনি https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152372276372582 ভূ-গোলকে আঞ্চলিক ভাষাগুলো এবং ধর্মাচার https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151962815942582
-
31
BishwaashE O Aasthaaye Bakti Ebong Rastro
বিশ্বাসে ও আস্থায় # ব্যক্তি এবং রাষ্ট্র --------------------------------------------------------- আমার প্রতি আমাদের রাষ্ট্রটা যদি বিশ্বাস হারায়, ওতে আমার বড় কোনো ক্ষতি নেই, কিন্তু সাধারণ একজন বাসিন্দা আমি যদি আমার নিরাপত্তায় রাষ্ট্রের ওপর আস্থা রাখতে না-পারি, স্বর্গীয় কোনো ভূখণ্ডেও রাষ্ট্রের ভিত তাতে নড়বড়ে হ’য়ে যায়,- এতটুকুও ভুলে গিয়ে যদি আমাদের প্রতিনিধিরা তাদের দায়িত্ব পালনে উদাসীনতা কিম্বা শিথিলতা দেখায়, তাদেরকে মাঝে মধ্যে ভদ্রজনোচিত ভাবে স্মরণ করিয়ে দেওয়াটা তখন আমাদের স্বার্থেই আমাদের নিয়মিত করণীয় কর্তব্য। গণকরণিক : আখতার২৩৯ ##### ২৭/০২/২০১৫খ্রি: বিশ্বাসে ও আস্থায় # ব্যক্তি এবং রাষ্ট্র https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152969089837582
-
30
Oraa AwHindoo Oraa AwMuslim
***** সহজবোধ্য অনুবাদে মুসলিম https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151330724537582 ***** ‘জিন্না-নেহেরু-স্বার্থ’-এর ফসল https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151733232592582 ***** প্রসঙ্গ : ‘তাফসীর’-এর কোন্দল থামাতে ‘তরজমা’র ভূমিকা https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151630171482582 ***** মুসলমান https://www.facebook.com/note.php?note_id=134020637581 ***** ‘ওরা অ-হিন্দু’, ‘ওরা অ-মুসলিম’, ... https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151808167517582 ***** কমপক্ষে আটমাস https://www.facebook.com/note.php?note_id=10150303622137582
-
29
ShaantiiDharmiiR GoponiyoTaa
শান্তিধর্মীর গোপনীয়তা ---------------------------------------- এরা যেমন আস্তিক সমাজের ভয়ে নিজেদের অবিশ্বাসের কথা স্বীকার করে না, তেমনি এরা নাস্তিক সমাজের ভয়ে নিজেদের বিশ্বাসের কথা প্রকাশ করে না। বস্তুত এরাই সমাজে শান্তিধর্মী, সমর্পিত,- নিজেদের সংশোধনে ততখানি লিপ্ত, যতখানি লিপ্ত থাকলে পরে কারো অকেজো সময়গুলো আর জমে থাকে না, এবং ঘাঁটাঘাঁটির সুযোগ পেলেও অন্যের মন্দ নিয়ে নাড়াঘাঁটাতে নষ্ট করার মতো অতিরিক্ত সময় তারা জোটাতে পারে না। করণিক : আখতার২৩৯ ##### ০৮/০৬/২০১৪খ্রি:
-
28
DharmoPraan AabegakraanTer Shaathe DhaarMikEr PaarThokko
ধর্মপ্রাণ আবেগাক্রান্ত এবং ধার্মিকের মধ্যেকার পার্থক্য ----------------------------------------------------- ধর্মপ্রাণ আবেগাক্রান্তের সাথে ধার্মিকের পার্থক্য সুস্পষ্ট। ধর্ম সর্বকালেই বিবেকপ্রসূত এবং বিবেকে আশ্রিত। মনুষ্য বিবেকেই মানুষের পালনীয় ধর্ম ধারিত হয়। আবেগ কোনো নিয়মনীতি মানতে পারে না। আবেগতাড়িত অবস্থায়, পাশবিক কিম্বা মানবিক কোনোটাই নই, -আমরা উন্মত্ত। আবেগাক্রান্তরা কখনোই কোনো ধরণের ধার্মিক রূপে স্থির বা আত্মনিয়ন্ত্রিত থাকতে পারে না। উন্মত্ততা উন্মাদকে যখন যেভাবে চালায় উন্মাদ চলতে বাধ্য। প্রজ্বলিত করে দিলেই তেজোদীপ্ত উন্মাদেরা জড়র মতোই চলতে থাকে। আবেগে চালিতরা নিজেদের ইচ্ছায় চলতেও পারে না, আর চলতে থাকলে থামাতেও পারে না নিজেরা নিজেদেরকে। আবেগাক্রান্তের অস্থির আচরণকে ধর্মাচার ভেবে ভুল করাটা, ধর্মপ্রাণ অজ্ঞদের জন্যেই শোভনীয়। অজ্ঞদের অজ্ঞতার জন্যে দায়ী, অজ্ঞদের কাছের জ্ঞানীজনেরা, যারা আশপাশের অজ্ঞদের প্রতি উদাসীন। ঐ সকল জ্ঞানীদের জন্যেই বরাদ্দ যন্ত্রণাময় প্রায়শ্চিত্ত। অজ্ঞদেরকে অজ্ঞতার মধ্যে রাখার সাংঘাতিক পরিণতি ভোগ না-করা পর্যন্ত জ্ঞানীরা দায়বদ্ধ থেকে যায়। গণকরণিক : আখতার২৩৯ ###### ০৬/০৪/২০১৩খ্রি: ***** ধার্মিকেরা স্বেচ্ছাচারী নয় https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10150850477312582 ***** স্বেচ্ছাচারীকে ধার্মিক সাজিয়ে দেখানো হ’লে … https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151981850172582 ***** ধর্মপ্রাণ আবেগাক্রান্ত এবং ধার্মিকের মধ্যেকার পার্থক্য https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152173509597582 ***** উগ্রপন্থির আত্মকথন https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152165464352582 ***** আচরণে ধার্মিক https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151969851132582 ***** আত্মরক্ষাই ধার্মিকদের কর্তব্য https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152173537547582
-
27
EAkDhaap UooporEr Zon
'একধাপ উপরের জন' ***** ব্যয় করার জন্যে অফুরন্ত সময় না-থাকলে কেউ যৌন-হয়রানি বা ঈভটিজিং-এর মতো কাজটি করতে পারতো না। ভিন্নতর কাজে-কর্মে যারা লিপ্ত, কোনো মূল্যের বিনিময়েও তাদেরকে ঈভটিজিং-এর মতো মহাধৈর্যধারীর কর্মটিতে রাস্তার ধারে বা মহল্লার মোড়ে দাঁড় করানো কখনোই সম্ভব নয়। আত্মসম্মানবোধহীনদের কাছে জীবন ও মরণ উভয়ই সমান, দুটোই অর্থহীন। কেবল কর্মসংস্থানই পারতে পারে আত্মসম্মান ফিরিয়ে দিতে, জীবনকে অর্থময় করতে। যাদের জীবনের প্রতি মায়া নেই, কোনো ধরণের শাস্তিই যাদেরকে শায়েস্তা করতে পারে না, অপদস্থ হয় না যারা কোনো কিছুতেই, -তাদেরকে প্রতিহত করার চেষ্টা করা!!, --নিঃসন্দেহে শূন্যের পিছনে অনন্তকালব্যাপী ছোটার মতোই অর্থহীন নিষ্ফল প্রয়াস। কালচক্রে ব্যাপকভাবে গজিয়ে ওঠা ঈভটিজিং-এর মতো জঘন্য সামাজিক ব্যাধিটাকে যখন উপেক্ষা ক’রে স’রে থেকে আত্মরক্ষা করা সম্ভব হয় না, প্রতিকার হিসেবে কিছু একটা করতেই হয়, --তখন অন্য সকল সুস্থ সমন্বিত পদক্ষেপের সাথে বিচার বিভাগের অনমনীয় (zero tolerance) হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করা জরুরি। বিচার বিভাগ যেন 'একধাপ উপরের জন'-কে বিচারের আওতায় নিতে পারে,- আইনের এমন একটি ধারা যেন আমরা আমাদের আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বানিয়ে নিতে পারি, --আপাতত এতটুকুই অনেকের মতো আমারও একান্ত ব্যক্তিগত চাওয়া। যেহেতু, নরাধম ঈভটিজারদেরকে ধ’রে ধ’রে শাস্তি দেওয়া বা না-দেওয়ার মধ্যে পার্থক্য নেই, --অথচ আমরা ঈভটিজিংমুক্ত বা যৌন-হয়রানি-মুক্ত পরিবেশ চাচ্ছি, এখানে ঈভটিজারের অভিভাবক হিসেবে আমরা যেন যথাযথ শাস্তি পাই, --আইনের ধারাটি যেন ঠিক তেমন-ই হয়। 'কেউ ঈভটিজার হিসেবে প্রমাণিত হ'লে পরে সে সসম্মানে মুক্তি পাবে, --তবে শাস্তি পাবে তার পিতা-মাতা অথবা অভিভাবক, অর্থাৎ 'একধাপ উপরের জন' পাবে উপযুক্ত অপমানকর শাস্তি, --সংক্ষেপে, ঈভটিজাররা বা যৌন-হয়রানকর্মীরা অক্ষতদেহেই ছাড়া পাবে, কিন্তু তাদের অভিভাবকদেরকে ছাড়া হবে না।'--এমন কোনো আইন সংসদে পাশ করামাত্রই ঈভটিজিং যে বন্ধ হ’য়ে যাবে, তা’ আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে এটাও ঠিক যে, কার্যকারী আইনটি প্রতিষ্ঠা পেলে কারো কারো ব্যবসায়িক ক্ষতি হবে। আইনটিকে সহ্য করতে না-পেরে, অতিমানবিক কেউ কেউ যে ঐ আইনটিকে মানবতাবিরোধী আইন ব’লে দাবি করবে না, কিম্বা সভায়-জলসায়-সিম্পোজিয়ামে-মেডিয়াতে-পথে-ঘাটে-পাথারে-ইথারে মাতামাতি করবে না, --এমন নিশ্চয়তা কেউই দিতে পারে না। আমরা জানি না, ঈভটিজিং বিরোধী বা যৌন-হয়রানকর্মী-বিরোধী মানববন্ধনের কর্মসূচীতে এই ধরণের অতিমানবের কর্মকাণ্ডকে প্রতিহত করার জন্যেও পূর্বপ্রস্তুতি আছে কি না। 'আমরা' শব্দটি দিয়ে কোনো সাধুজনের দলকে বোঝানো হচ্ছে না, এখানে 'আমরা' দিয়ে তাদেরকেই বোঝানো হচ্ছে, যাদের সন্তানেরা ঈভটিজিংয়ে লিপ্ত এবং যারা ক্ষমাপ্রাপ্ত হওয়ার চে' বরং প্রায়শ্চিত্ত ক’রে যাওয়াকেই সম্মানজনক কাজ মনে করি। koronik239 ##### 05/11/2010 করণিক : আখতার২৩৯ ##### ০৫/১১/২০১০খ্রি: ***** 'একধাপ উপরের জন' https://www.facebook.com/note.php?note_id=449383292581 ***** ঈভটিজারগুলোর নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে # বৈশাখ-১৪২২ (০৫) https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152880278537582 ***** যৌন-নির্যাতন বন্ধকরণে প্রত্যাশিত বিধান https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152409301792582
-
26
AasTaKurEr Haashii
আস্তাকুঁড়ের হাসি --------------------------------------- কোনো দলের জয় বা পরাজয়ে যখন জনসাধারণের কিছুই এসে যায় না, এমন পরিস্থিতি কখনোই সভ্য দলোগণের জন্যে কোনো সুসংবাদ বহন করে না। জনগণের ওপর দলোগণের বিশ্বাস ক’মে গেলে যা’ হবার তা-ই হয়। কিছু দলান্ধ আবেগাক্রান্ত দলোদাসের ওপর নির্ভর ক’রে ক’রে দলোগণ নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় বেশি বেশি মনোযোগী হয়। প্রতিহিংসাপরায়ণ দলোদাসেরা প্রতিপক্ষের সাথে লড়াইয়ে যখন হতাহত হ’তে থাকে, দলজীবী দলোগণ তাদেরকে থামাতে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এগিয়ে যায় না। জনসাধারণও তাদেরকে রক্ষা করার চে’ বরং কোনো দলের পক্ষে বা বিপক্ষে না-যাওয়াকে এবং নিজেরা নিরাপদ দূরত্বে থাকাকে, সমুচিত কর্তব্য হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য হয়। জনসাধারণের মধ্যে যারা শান্তিকামী, তারা নিজেদের পারিবারিক সতর্কতায় এমন ভাবেই যত্নবান হ’য়ে ওঠে, যাতে অবাধ্য যারা আগেই বেরিয়ে গিয়েছে, তারা ফিরে আসুক বা না-ই আসুক, পরিবারের আর কোনো সন্তান যেন দলোদাসদের সঙ্গে মিশে তাদের সংখ্যা বাড়াতে না-পারে। গণবিচ্ছিন্ন হওয়ার পরিণতি হিসেবে নিশ্চয়ই এখানে সংঘাতজীবী খেলুড়ে দলোগণকে যে প্রায়শ্চিত্ত ভোগ ক’রে যেতেই হবে,- এমন কোনো সত্য সংবাদেও কিছুই এসে যায় না ঐ দলজীবীদের, যারা আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হ’লেও নির্লজ্জদের মতো দাঁত বের ক’রে তাদের স্বর্গীয় হাসি হাসতে পারে। দর্শক : আখতার২৩৯ ##### ০৪/০৫/২০১৫খ্রি: ***** আস্তাকুঁড়ের হাসি https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152912672252582
-
25
Sujog
সুযোগ ------------------------------ সুযোগ সকলের জন্যেই উন্মুক্ত। প্রত্যেকেই নিজে নিতে পারে, কোনো ব্যক্তি অন্যকে সুযোগ দিতে পারে না। কোনো ব্যক্তি বা বস্তু নিজে কোনো সুযোগ শূন্য থেকে সৃষ্টি করে নিতে পারে না। সুযোগ ছিলই, সুযোগ আছে এবং সুযোগ থাকবে, --কেবল পাওয়া আর নেওয়ার অপেক্ষায়। সুযোগ কখনোই ফুরায় না কিম্বা কমে না, সুযোগ অফুরান। যে যত সুযোগ নেয়, তার বরাদ্দে সুযোগ ততই বেড়ে যায়। ভিন্ন ভিন্ন ধরনের সুযোগের সমষ্টি থেকে নিজের মানানসই কিম্বা বেমানান সুযোগ প্রত্যেকে যেমন পাওয়ামাত্র নিতে পারে, তেমনি প্রত্যেকের জন্যে যেকোনো সুযোগ গ্রহণ করা থেকে দূরে সরে গিয়ে সুযোগ-বর্জনকারী হওয়ার সুযোগও সর্বকালেই ছিল, আছে এবং থাকবে। অন্যদের ধাঁচের কিম্বা অন্যের প্রাপ্য সুযোগ ছিনিয়ে নিয়ে অথবা নিজের কোনো ভালোতে কাজে লাগে না এমন কোনো সুযোগের দিকে হাত বাড়িয়ে, অসভ্যের মতো নিজেকে অপদস্থ করার সুযোগও যেমন আছে, তেমনি, সভ্যদেরও আছে সভ্যদের জন্য মানানসই, আত্মমর্যাদা আর আত্মসম্মান ধ’রে রাখার সুযোগ, অন্যকে তার প্রাপ্য সুযোগ পাওয়ানোতে সহযোগিতার মাধ্যমে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কোনো সুযোগ শূন্য থেকে নিজেরা সৃষ্টি করতে পারে না। সুযোগ ছিলই, সুযোগ আছে এবং সুযোগ থাকবে, --কেবল পাওয়া আর নেওয়ার অপেক্ষায়। অন্যের প্রাপ্য সুযোগের দিকে ঝুঁকে বুঝলে, নিজের সুযোগগুলোকে চিনে নেওয়া যায়। দর্শক : আখতার২৩৯ রঙ্গপুর : ১৯/১১/২০১২খ্রি:
-
24
BrahMman Proshongay
ব্রাহ্মণ প্রসঙ্গে ------------------------------- তফসিলীদের মধ্য থেকে কেউ জ্ঞানার্জন ক’রে জ্ঞানী হ’য়ে উঠুক কিম্বা ব্রাহ্মণ হিসেবে পরিচিতি লাভ করুক, জ্ঞাতিহিংসাপরায়ণ তফসিলী (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী) পরিচয়ধারীরাই তা’ চায় না জন্যেই হ’তে দেয় না। তাদের নিজেদের ভিতর থেকেই কেউ সৃষ্টিশীল জগতের তাত্ত্বিক জ্ঞানে বিজ্ঞানে সমতালে বাস্তব প্রয়োগে জ্ঞানী হ’য়ে উঠলেও তাকে তফসিলীরা ব্রাহ্মণের মর্যাদা দিচ্ছে না। নিজেদের জ্ঞাতিহিংসাকে ভালোবেসে প্রাধান্য দিয়ে লালন করার লক্ষ্যেই, তফসিলীরা ব্রাহ্মণ (ব্রহ্মজ্ঞানধারী)-এর আদলে ধার্মিকের বহিরাবরণে যে-ই অজ্ঞটিকে মর্যাদা দিয়ে সমাজে ‘ব্রাহ্মণ’ সাজিয়ে জ্ঞানীর আসনটি পেতে দেয়, তার আচরণ চিন্তা-চেতনা কখনোই একজন সভ্য ভদ্র মানবসন্তানের মতো হ’তে পারে না। পরিবার শর্তে ব্রাহ্মণ ঐ অজ্ঞগুলোর সাথে ধর্মগ্রন্থের কোনোই সম্পর্ক নেই। এরা ব্রাহ্মণ (ব্রহ্মজ্ঞানধারী) সেজে শুধু যে নিজেদের বানানো ব্রাহ্মণ্যবাদীতা চালায়, তাতেই শেষ নয়,- সুযোগপ্রাপ্ত ব্রাহ্মণ পদবীধারীরা নিজ পরিবারের অজ্ঞ নির্বোধ, এমনকী, নোংরা চরিত্রের সন্তানটিকেও উত্তরাধিকার সূত্রে ব্রাহ্মণ সাজিয়ে ব্রহ্মজ্ঞানধারীর প্রাপ্য মর্যাদার আসনটি পাইয়ে দেবার জন্যে নিজেদের মনগড়া প্রথা বানিয়ে চালু রেখেছে। ব্রাহ্মণ্যবাদীরা ধর্মগ্রন্থগুলোকে দখলে নিয়ে বগলদাবা ক’রে সাধারণের অস্পৃশ্যতার মধ্যে রাখতে বাধ্য হয়েছে নিজেদের উগ্র অস্তিত্বের স্বার্থেই। ধর্মে, কোনো ধরণের কর্মজীবীকে, উচ্চ বা বড় রূপে মর্যাদাও যেমন দেওয়া হয়নি, তেমনি ছোট বা তুচ্ছ হিসেবে অসম্মানও করা হয়নি। প্রচলিত মনগড়া প্রথাতেও ব্রাহ্মণ্যবাদীতার লালনকারী পরিবারগুলোতে এমনও অনেক ব্যক্তিকে পাওয়া যায়, যারা নিজ চেষ্টায় জ্ঞানার্জন করেছে এবং ব্রাহ্মণ হ’তে পেরেছে। তারা যেকোনো নৃ-গোষ্ঠী (মানবগোষ্ঠী) থেকে গ’ড়ে ওঠা কোনো ব্রাহ্মণকে ব্রাহ্মণের মর্যাদা দিতে গিয়ে হীনমন্যতায় ভোগে না, বরং নিজেদের ব্রহ্মত্বের দৃঢ়তাই তাতে বাড়ছে ভেবে তারা তৃপ্তি পায়। শাশ্বতিক বিবেচনার বিচারে দেখা যাচ্ছে, মানব সমাজে যোগ্যতায় এবং আচরণে এরাই সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ব্রাহ্মণ। গণকরণিক : আখতার২৩৯ ##### ১৫/০৯/২০১৪খ্রি:
-
23
BaaniSharanKaalE UootH BoshEr Shankha
বাণীস্মরণের বা মন্ত্রপাঠের কালে উঠবসের সংখ্যা গণনা দর্শনে ---------------------------------------------------------------------------- আমি দাঁড়াইয়া বা বসিয়া যাহা কিছুই বলিতেছি, সেইগুলির অর্থই যদি আমি না-জানি, তাহা হইলে, বিশ বারে বা আট বারেও যাহা হইবে আশি বারে বা হাজার বারেও তাহাই হইবে,- সবই অর্থহীন উঠবস, একের দেখাদেখি অন্যদের নির্বোধ অনুকরণ। উন্নতমানের ব্যায়াম বা শরীরচর্চা হিসাবেও যাহা গণ্য হইতে পারে না, এমন লোকদেখানো (**সূরা আল মাউন) কাজে সময়ের অপচয়কারী হওয়ার পক্ষে কোনো ধর্মগ্রন্থে কোথাও উৎসাহ দেওয়া হয় নাই। বরং, অপচয়কারীদের সঙ্গে কাহার কী সম্পর্ক,- ঘনিষ্ঠ ঐ আত্মীয়তার সম্পর্কটি যদি কাহারো জানা না-থাকে,- আশপাশে যেকোনো ধার্মিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করিয়াও ঐ অপচয়কারীদের সম্পর্ক সম্বন্ধে সে জানিয়া লইতে পারে। দর্শক : আখতার২৩৯ ##### ২১/০৬/২০১৫খ্রি:
-
22
Srenii NirVarataa
শ্রেণী নির্ভরতা ***** (যারা নিজেদের যোগ্যতাবলে ধনার্জন করেছে, তাদেরকেই ধনী হিসেবে গণ্য করা হ’লে,- যারা অন্যের অর্জিত ধন কেড়ে নিয়ে ধনী সাজে তাদেরকে দখলদার বলতেই হয়। দখলদাররাই নিজেদের মধ্যে কামড়া-কামড়ি করতে পারে, তবে,- ধনীরা কখনোই গরীবের হাতে খুন হওয়ার স্তরে পৌঁছোনোর ক্ষমতাপ্রাপ্ত নয়।) --------------------------------------------------------------------------------------------- ধনাঢ্যরা খুন করে না। কাউকে খুন করার সামর্থ্য সাধারণ গরীবদেরও নেই। ধনহীনদের মধ্যে কিছু লোভী আছে, নিজেদের যোগ্যতাবলে ধন অর্জনের চেয়ে ধনাঢ্যদের পা-চাটা ক্রীতদাস হওয়াকে যারা ধনাঢ্য হওয়ার সহজ পদ্ধতি হিসেবে গণ্য করে এবং আধিপত্য লাভের লোভে ধনাঢ্যদের আশ্রিত হয়। নিজেদের স্বার্থেই তারা ধনাঢ্যদের পাহারাদার রূপে থাকে এবং নিজেদের সমমনাদের মধ্যে খুনোখুনিতে লিপ্ত হয়। এমনকী, তাদের ধনাঢ্য পালকপিতাদের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তারা লোভের বশীভুত থেকেই গোপনে নিজেদের মধ্যে হানাহানি চালিয়ে যায়। অন্যের অর্জিত সম্পদের দিকে তাকিয়ে আনন্দিত হবার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি, এমন কেউ যদি অন্যদের দিকে তাকায়, সে তো হতাশায় আক্রান্ত হবেই, যদি না সে বুঝতে পারে যে, তার যা’ আছে অন্যের তা’ নেই। একের দোষ অন্যদের উপর চাপানোর চেষ্টার মধ্যে কোনো কৃতিত্ব নেই। লোভীদের ধর্ম বা প্রকৃতিকে কোথাও মানুষের ধর্ম হিসেবে সমর্থন করা হয়নি। এমন কোনো সামাজিক বা সাম্প্রদায়িক ধর্ম জগতে প্রতিষ্ঠিত নয়, যেখানে লোভীদের লালসাময় কর্মকাণ্ডকে শান্তিকামী সামাজিক মানুষের ধর্মাচার হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এক অর্থে প্রায় প্রত্যেকেই এখানে গরীব। কেবল আত্মসম্মানিতরাই ধনবান এখানে, যারা নিজেদের ধারণ ক্ষমতার বেশি কিছু বহনের লোভে নিজেদেরকে ক্রীতদাস বানানোর চেষ্টাকে আত্মঘাতি চেষ্টা হিসেবে গণ্য করে। ধর্মগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত এবং সামাজিকভাবে মান্যতার দাবি নিয়ে আগত নির্দেশগুলো সামাজিকদেরকে মনস্তাত্ত্বিক ক্রীতদাসত্ব থেকে মুক্তির দিক-নির্দেশনা দেয় জন্যেই ধর্মব্যবসায়ীরা ধর্মগ্রন্থগুলোকে নিজেদের দখলে নেয় এবং নিজেদের মনগড়া ব্যাখ্যাকে ধর্ম হিসেবে চালায়। কেউ নিজের ভাষায় নিজের সম্প্রদায়ের ধর্মগ্রন্থ পড়ছে দেখলেই যেকোনো ধরণের ধর্মব্যবসায়ীকে আৎকে উঠতে দেখা যায়। যারা নিজেদের যোগ্যতাবলে ধনার্জন করেছে, তাদেরকেই ধনী হিসেবে গণ্য করা হ’লে,- যারা অন্যের অর্জিত ধন কেড়ে নিয়ে ধনী সাজে তাদেরকে দখলদার বলতেই হয়। দখলদাররাই নিজেদের মধ্যে কামড়া-কামড়ি করতে পারে, তবে,- ধনীরা কখনোই গরীবের হাতে খুন হওয়ার স্তরে পৌঁছোনোর ক্ষমতাপ্রাপ্ত নয়। কলহকামী লোভীরা মানতে না-চাইলেও সাধারণ গরীবেরা জানে যে, অন্যের কর্মদোষে কেউ দরিদ্র হয় না। গণকরণিক : আখতার২৩৯ ##### ০৭/১১/২০১৪খ্রি: ***** শ্রেণী নির্ভরতা https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152517242517582
-
21
Galper Moto Koronika
গল্পের মতো করণিকা # জুন, ০১-২০১৫ --------------------------------------------------------------- একদিন এক জ্ঞানী ব্যক্তির সাথে এক আলেম ব্যক্তি দেখা করিলেন। তিনি জ্ঞানী ব্যক্তিটিকে বলিলেন,‘আমি আপনার সাথে কমোন-সেন্স রিলেটেড কিছু বিষয়ে আলোচনা করতে এসেছি। বে-শক্, এই উছিলায় দোজাহানে আমাদের আমলনামায় গেহেরা সহি নেকি হাছিল হবে।’ আলেম ব্যক্তির প্রস্তাবকে শ্রদ্ধা জানাইয়া জ্ঞানী ব্যক্তিটি বলিলেন, ‘সব ঠিক-ই আছে। কিন্তু, আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত, আপনাকে এখন সময় দিতে না-পারার জন্যেই দুঃখিত। আগামীতে, সময় এবং সুযোগ পেলেই, আমরা কোথাও বসতে পারি। তবে, অবশ্যই আলোচনায় বসার আগে প্রস্তুতি থাকা চাই। প্রস্তুতির একটা অংশ হিসেবে আমি কি আশা করতে পারি যে, আমরা নিজের ভাষায় পবিত্র ধর্মগ্রন্থ প’ড়ে প’ড়ে বোঝার চেষ্টা চালাবো?’-- --‘বে-শক্, যাযাকাল্লাহ্, আলবৎ ফায়দা মাহেল,- নিশ্চয়ই, নিশ্চয়ই, গাস্তে এলেম। আস্ সালাম।’- বলিয়া নূরানি হাসি হাসিয়া সেই কামেল বুজুরগো আলেম ভদ্রলোকটি জ্ঞানী ভদ্রলোকটির নিকট হইতে সেই দিনের মতো বিদায় লইয়া চলিয়া গেলেন। ইহার পরের ঘটনা যদিও উপস্থিত অনেকের-ই জানা,- আমরা কিন্তু দেখি নাই ঐ আলোচনা। দর্শক : আখতার২৩৯ ##### ০১/০৬/২০১৫খ্রি:
-
20
Nishanaay DoloDas ProcharMaddwmGulo
নিশানায় দলোদাস প্রচারমাধ্যমগুলো -------------------------------------------------------------------- যখন ভালো-মন্দ-বিশ্লেষণ-মূলক সালিশি তর্কাসরে ভালোকে পাওয়াই যাচ্ছে না, শুধু পাওয়া যাচ্ছে মন্দকে, কম আর বেশি, কাছে এবং দূরে- তখন ‘বেশি ভালো না-কি কম ভালো’ এমন বিতর্কের আয়োজনে দর্শক হওয়া তাদের-ই মানায়, সময়ের অপচয়ে যাদের কিছুই এসে যায় না। তবে, ‘বেশি এবং কম’ মন্দগুলোর মধ্যে বেশি মন্দগুলোকে ‘মন্দ’ এবং কম মন্দগুলোকে ‘মন্দের ভালো’ হিসেবে বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে। উদাহরণ হিসেবে এমন একটি দেশকে দেখানো যেতে পারে, যেখানে অনেকগুলো দল থাকবে। দলগুলো দেশোদ্ধারকারী সেজে জনসাধারণের জন্যে অনেক ভালো কিছু ক’রে দেখাতে চাইবে, কিন্তু যেগুলো করলে জনস্বার্থে ভালো হ’তে পারে, অর্থাৎ, জনসাধারণের কল্যাণ হ’তে পারে,- তেমন কিছুই তারা করবে না। সাধারণ জনগণকে তারা ধোঁকা দেবে এবং পালাক্রমে দলগুলোর দলোগণ নিজেরা বেহিসেবি সম্পদে ধনাঢ্য হবে। জনসাধারণের যাতে কোনোভাবেই ভালো না-হয়,- সেই লক্ষ্যেই বেছে বেছে যা-কিছু মন্দ কর্মকাণ্ড, দলোগণ দলোস্বার্থে সেগুলোই ক’রে যাবে। কেবল নিজেদের দলোস্বার্থেই কোনো দল বেশি করতে পারবে, কোনো দল কম করতে পারবে, আর এভাবেই দলগুলো দেশের উন্নয়নে বাধা দিয়ে দিয়ে দলোগণ নিজেরা ধনবান হবে। অবৈধ সম্পদের যন্ত্রণার বোঝা সামলাতে গিয়ে তারা কিন্তু কিছু নরাধম দলোদাসের অত্যাচার সহ্য করতেও বাধ্য হবে। জনগণের মন্দ করতে চেয়ে, প্রতিযোগিতায় যারা বেশি মন্দ রূপে কৃতিত্ব দেখাতে পারবে তারাই বেশি যন্ত্রণায় ভুগে ভুগে নিজেরাই ধ্বংস হবে। কম মন্দগুলো টিকে থাকবে মন্দের ভালো হিসেবে। উদাহরণের দেশটির মতো কোনো ভূখণ্ডে, প্রচার মাধ্যমগুলো যদি দর্শক সাধারণকে নির্বোধ ভেবে ‘মন্দের ভালো’-গুলোকে ‘নির্দোষ ভালো’ হিসেবে দেখানোর নোংরা প্রতিযোগিতার আয়োজনে নির্লজ্জ দলীয় সমর্থদেরকে খুঁজে খুঁজে টেনে টেনে আনে আর দলীয় মদদপুষ্ট ঐ সমর্থকেরা যদি প্রতিপক্ষ বক্তারূপে ‘মন্দের ভালো’-গুলোর মন্দগুলোকে লুকোনোর উদ্দেশ্যে তাদের পছন্দের দলগুলো ‘বেশি ভালো না-কি কম ভালো’ প্রমাণের বিতর্কে মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়, তাহলে তো বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে প্রচার মাধ্যমগুলো অচল হবেই। বিজ্ঞাপন দাতারা চালক রূপে তখন প্রচার মাধ্যমগুলোকে যদি দয়া ক’রে ক’রে চালিয়ে না-নেয় তো, ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষা করার অধিকার বিজ্ঞাপন দাতাদের থাকতেই পারে। ‘কোন্ দলটি বেশি ভালো আর কোন্ দলটি কম ভালো’- এমন বিশ্লেষণে দলোগণ নিজেদের পছন্দের দলটির প্রশংসা গাইলেই যে দলটির কুকর্মের দুর্গন্ধই বেশি বেশি ছড়ায়, দলান্ধ দলোদাসেরা তা’ না-ইবা বুঝলো, প্রচার মাধ্যমগুলোর চলমানতার স্বার্থেই প্রচারণাজীবীরা যেন সতর্ক থাকতে পারে,- এমনটাই সাধারণ দর্শকদের কাম্য। ‘আমাদের দলটি তোমাদের দলের চেয়ে বেশি কুকর্ম করেনি’, ‘আমরা অপকর্মের সুযোগ পেয়ে দলোস্বার্থে দেশের যে ক্ষতিগুলো করেছি সেগুলো আপনাদের অপকর্মের তুলনায় কম জঘন্য’ বা ‘আমরা মন্দের ভালো’- এমন ধরণের বিতর্কের অনুষ্ঠান প্রচার-মাধ্যমে দেখানোর জন্যে কোনো আয়োজন থাকবে, সেটাই উদাহরণের ঐ দেশটির মতো কোনো ভূখণ্ডে সাধারণ বিবেচকদের প্রত্যাশা। বিজ্ঞাপনদাতাদের দুয়ারে দুয়ারে ধরনা দিয়েও দলোদাস প্রচারমাধ্যমগুলো তাদের নোংরা প্রতিযোগিতা চালু রেখে আর যে টিকে থাকতে পারবে না, এমন একটা ভীষণ সময় সম্ভবত গণযোগাযোগ-বান্ধব বর্তমান এই বিশ্বে খুব বেশি দূরে নয়। দর্শক : আখতার২৩৯ ##### ০৭/০৬/২০১৫খ্রি: ***** নিশানায় দলোদাস প্রচারমাধ্যমগুলো https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152999099442582
-
19
KomPokkhE AatMaas
কমপক্ষে আটমাস ---------------------------------------------- -- ‘ধর্ম নিয়ে কোনো আলোচনায় যাওয়ার আগে, প্রত্যেকের উচিত তার নিজের ভাষায় নিজের জাতধর্মগ্রন্থটি কমপক্ষে ছয় মাস পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়া। যে নিজেকে ধার্মিক হিসেবে প্রকাশ করতে চায়, তার প্রতি কমপক্ষে আগামী আটমাস (‘ছয় মাস’ ধর্মগ্রন্থ পড়ার জন্য + নিজের পরিবারের মধ্যে চর্চার মাধ্যমে,--নিজেকে তাদের মতো, যারা প্রতিবেশীদের অশান্তির কারণ নয়,--এমন একজন ধার্মিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কমপক্ষে ‘দুই মাস’= আট মাস) তার নিজের সংশোধনের জন্য ব্যয় করার জন্য সবিনয় আবেদন রইলো।’- -ইহা দেখিবামাত্রই আমরা যাহারা সত্যকে প্রতিষ্ঠার স্বঘোষিত ইজারাদার সাজিয়াছি এবং যাহারা এইচ.এস.সি. স্তরের বিজ্ঞানের জ্ঞানের সাথে দর্শন আর বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী মিশ্রিত মহাজ্ঞান সহযোগে মহাজ্ঞানী হইয়াছি, তাহারা এমনভাবে ক্ষেপিয়া উঠি যে, আমাদের উন্মত্ত আচরণে আমরা সকলের সামনে উলঙ্গ হইয়া যাই, আর আমাদের সযত্নে লুকাইয়া রাখা সহজাত অশ্লীলতাগুলি এমনভাবে প্রকাশ পাইতে থাকে যে, আবেগাক্রান্ত আমরা কোনোভাবেই তাহা থামাইয়া রাখিতে পারি না। ইহা এমনি যন্ত্রণাময় যে, যন্ত্রণা সহ্য করিতে না পারিয়া আমাদের কেহ কেহ যন্ত্রণামুক্তির আশায় আত্মঘাতী বাহিনীতেও ঢোকে। গণকরণিক : আখতার২৩৯ ##### ১৩/১০/২০১৩খ্রি:
-
18
DharmaalochaNaE Paatro NirBachan
ধর্মালোচনায় পাত্র নির্বাচনে দ্রষ্টব্য ***** যারা নিজের ভাষায় ধর্মগ্রন্থ প’ড়ে দেখেনি, অথচ নিজেদেরকে ধর্মাচারী হিসেবে প্রকাশ করার চেষ্টায় লিপ্ত, নিঃসন্দেহে, তারা আত্মপ্রতারিত। ধর্মাচার নিয়ে এদের বাড়াবাড়ি এমন প্রকটভাবে প্রকাশ পায় যে, অনেকের মধ্য থেকেই এদেরকে সাধারণের চেয়ে আলাদা বাহারি রূপে সহজেই চিনে নেওয়া যায়। এদের ভাবখানা এমন যে, এ-জগতে ধর্মকে রক্ষা করবার ইজারা এরাই পেয়েছে। এই সব আত্মপ্রতারিতদের অজ্ঞতা যে কত ভীষণ গভীর, তা’ যদি কেউ মেপে দেখতে চায়,- তার জন্যে উচিত হবে, এদের মুখ থেকে বের হওয়া কোনো ধর্মের বাণী না-শুনে, অবশ্যই নিজের ভাষায় নিজেই ধর্মগ্রন্থ প’ড়ে প’ড়ে বুঝে দেখা। আত্মপ্রতারিতদের সাথে ধর্মালোচনা করতে যাওয়াটা যে নিজেকে উন্মাদ বানানোর মতোই নোংরা আহাম্মকি, সেটাও সহজেই বোঝা যায় পবিত্র ধর্মগ্রন্থগুলো নিজের ভাষায় নিজে নিজে একা একা প’ড়ে প’ড়ে দেখলে পরে। ধর্ম সম্পর্কিত আলোচনা কেবল তাদেরই সঙ্গে করা যেতে পারে, যারা নিজের ভাষায় ধর্মগ্রন্থ পড়ছে বা পড়েছে। ##### ২৬/০৫/২০১৫খ্রি:
-
17
Gayan Bigggyan Ebong GobEShaNaa
জ্ঞান, বিজ্ঞান এবং গবেষণা -------------------------------------- ‘দেখা গেছে,- এ-ই হয়’- ইহা সত্য, ইহা জ্ঞান। ‘এখন, দেখানো যাচ্ছে,- এভাবে হয়’- ইহা অনুমান এবং ইহাই বিজ্ঞান। আগেও অনুমানের প্রমাণগুলো বাস্তবসম্মতই ছিল, প্রয়োগে-পরীক্ষায় প্রমাণিত- নতুনতর প্রমাণ-পদ্ধতি না-আসা পর্যন্ত,- আজও সেই আগের মতোই,- সকল বর্তমানে, চূড়ান্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ রূপে নিত্য নতুনটাই মনোনীত। প্রমাণ না-পেলে বিশ্বাস পায় না যারা, তাদের জন্যেই যত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ। বিজ্ঞান তো কখনোই ধ্রুব বা অনড় নয়, বরং ক্ষণস্থায়ী এই পরিবর্তনশীল প্রবাহে বিচক্ষণ বিজ্ঞদের সমীকরণে মেলানো ভাসমান কিছু বাস্তব গাণিতিক অনুমান। নিত্য পরিবর্তনশীলতাকে মেনে নিয়েই সকল শাস্ত্রীয় গবেষণা চলমান। দর্শক : আখতার২৩৯ ##### ০৪/০৩/২০১৪খ্রি: ***** প্রমাণ এবং সাক্ষ্যের জোর https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151783749382582 ***** জ্ঞান এবং গণিত https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151990716337582 ***** জ্ঞান ও জ্ঞানী https://www.facebook.com/note.php?note_id=10150243318322582 ***** অনুমান https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152009216447582 ***** জ্ঞান, বিজ্ঞান এবং গবেষণা https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152007327247582 ***** জ্ঞানী নির্বাচন https://www.facebook.com/note.php?note_id=134685622581
-
16
ShompadEr Hisheb Darshaanor ProstabTaa
সম্পদের হিসেব দর্শানোর প্রস্তাবটা ... -------------------------------------------- ঐ একটা জায়গাতে এসেই দেশোদ্ধারকারীরা মুখ ফিরিয়ে নেয়, যেখানে নিজেদের দখলের সম্পদের হিসেব দর্শানোর প্রস্তাবটা কেউ তুলে ধরে। -‘অন্য সকলের হিসেবগুলো আগে নেওয়া হ’লে, পরে আমারটাও দিতে আমার কোনো বাধা নেই’- এমন বাধাহীন উদারতা দেখানোর মহানুভবতা ঐ দেশোদ্ধারকারীরা এখানে সযত্নে শক্তভাবে পোষণ করে। এ-ছাড়া অন্য কোনো জঘন্য দেওয়াল বা দুর্ভেদ্য কোনো মতাদর্শের কঠিন বাঁধ কখনোই, শুরুতেই, এদেশের উন্নয়নের প্রক্রিয়ায়, বড় কোনো বাধা রূপে দাঁড়ায়নি। দর্শক : আখতার২৩৯ ##### ০৫/০৪/২০১৫খ্রি: ***** সম্পদের হিসেব দর্শানোর প্রস্তাবটা ... https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152850628787582
-
15
Prottek Dharmik ManobEr Uchit HobE
প্রত্যেক ধার্মিক মানবসন্তানের উচিত হবে .. ***** অন্য কারো অনাচার-আচার-ধর্মাচার-এর বিচারক হওয়ার স্বেচ্ছাচারী প্রবণতা থেকে বেরিয়ে নিজের উদ্ধত উগ্র স্বভাব-আচরণকে নিজেই সংযত রেখে রেখে আত্মরক্ষিত থাকতে চাইলে, প্রত্যেক ধার্মিক মানবসন্তানের উচিত হবে,- অন্য কারো ব্যাখ্যার যুক্তির জোরে নিজেকে নির্দোষ নির্ভুল না-ভেবে, নিজের বিবেকের বোধনকে মর্যাদা দিয়ে দিয়ে সরল মনোযোগে নিজের ভাষায় বার বার ধর্মগ্রন্থ প’ড়ে প’ড়ে, সেই অনুসারেই নিজের কর্মজগতে দায়িত্ব পালনকালে অন্যদের শান্তিকে নষ্ট না-ক’রে সাধ্যমতো আত্মসমর্পিতদের মতো ধার্মিক আচরণের প্রতিফলন ঘটিয়ে, নিজেকে আদর্শ রূপে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চালিয়ে, নিজেকে জ্বালা-যন্ত্রণামুক্ত ভালো কোনো প্রতিফলের প্রত্যাশার মধ্যে রাখা। ##### ১৩/০৬/২০১৫খ্রি:
-
14
UooDDhato ThEkE Abonato
উদ্ধত থেকে অবনত ***** (অন্যদের ওপরে নির্দেশদাতা হওয়ার সহজাত আবেগের প্রবণতাটিকে স্বেচ্ছায় দমিয়ে প্রত্যেকে অন্যদের নির্দেশ পালন করতে ইচ্ছুক হ’তে পারলে, বিবেকবানেরা নীরব থাকতে পারতেন এবং কোনো জনসমষ্টিতে ধর্মের শাসন কিম্বা কোনো ধরণের বিধান প্রচার বা প্রবর্তনের সমকালীন ধকল সহ্য করার অনিবার্যতাও থাকতো না কোনো পরিণামদর্শীর বরাদ্দে।) মানবসন্তানেরা সাধারণত স্বভাবজাতভাবে নিজেকে শ্রেষ্ঠতম ভাবার উদ্ধত প্রবণতা ধারণ করে। ঐ প্রবণতাটি কোনো ব্যক্তিকে অন্য কারো চেয়ে ছোট ভাবতে বাধা দেয়। ‘আমার নির্দেশ অন্যেরা মেনে চলবে’ এবং ‘আমি অন্যের নির্দেশ মেনে চলবো’,- এই দুটোর মধ্য থেকে যেকোনো একটিকে নিজের ইচ্ছেমতো বেছে নিতে দেওয়া হ’লে নির্দেশদাতা বা নির্দেশক হওয়াটাকেই স্বাভাবিকভাবে বেশিরভাগ মানুষ পছন্দ করবে। কোনো মানবসন্তান, নত বা নিচু অবস্থানে নিজেকে আজ্ঞাবাহী তথা নির্দেশ মান্যকারী দাস বা কর্মী রূপে দেখার চেয়ে বরং প্রত্যেকেই নিজেকে মালিক নির্দেশক বা কর্তা রূপে ভাবতেই বেশি পছন্দ করে তার ঐ শ্রেষ্ঠতার প্রবণতাটির প্রভাবে। এ জগতে যোগ্য-অযোগ্য নির্বিশেষে সকলেই স্বেচ্ছাচারী নির্দেশদাতা সাজলে পরে, যদি নির্দেশ পালনকারী কর্মী কেউ না-থাকে, নিত্য পরনির্ভরশীল মানবসমাজের অগ্রগতি থেমে যেতে বাধ্য। সঙ্গত কারণেই সমাজের অস্তিত্বের স্বার্থেই এখানে নির্দেশ পালনকারী অবনত কর্মী বা চাকর হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করাটা সমাজের প্রত্যেক সদস্য বা সভ্যের কর্তব্য। ফারসি ‘নামাজ’ শব্দটির মতো দাসত্ব, চাকুরি, ইবাদত, আরাধনা, প্রত্যাশা, ছালাত, উপাসনা এবংবিধ শব্দগুলো অবনতদের যেকোনো প্রতিজ্ঞাবদ্ধ কাজ বা চেষ্টার সমার্থক। ধর্মগ্রন্থগুলোতে আমরা পাই, ‘উপাসনাকে দাঁড়া করানো’ (আকিমুছ্ ছালাত) যা’ কেবল কোনো দিকে মুখ ফিরিয়ে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিক উঠবস গ্রন্থপাঠ আর কিছু মন্ত্র উচ্চারণ-এর মধ্যে সীমিত নয়, বরং প্রতিজ্ঞাবদ্ধ প্রার্থনার বাস্তবায়ন, যেগুলোকে কাজে প্রতিফলন ঘটিয়ে দেখানোর চেষ্টাটুকুই সকল বিশ্বাসধারী অবনতদের কর্তব্য। --ভালো কাজ বা ভালো ‘নামাজ’-গুলো যায় সর্বময়ের দিকে, খারাপ নামাজ বা কাজগুলো যায় সর্বক্ষয়ের দিকে। নিয়্যতটাই নিয়তির বাহন, কিম্বা প্রতিজ্ঞাই পরিণতির বাহন, -- আরবীয় ‘রুকু’ এবং ‘সেজদা’ শব্দদ্বয় যথাক্রমে বাংলার ‘অর্ধাবনত’ এবং ‘পূর্ণাবনত’ শব্দদ্বয়ের সমার্থক। প্রার্থনাকে প্রতিষ্ঠা করিয়ে দেখানোর নির্দেশ যেমন পাওয়া যায় ধর্মগ্রন্থে, বিশ্বাসীদের জন্যে তেমনি আছে নিজেকে উদ্ধত না-রেখে অবনত হওয়ার নির্দেশও। নির্দেশ অমান্যকারীদের জন্যে ভয়াবহ পরিণতি ভোগের পূর্বাভাস দেওয়া আছে যেন তারা সতর্ক হয়। আরও দেখা যায়, বিভিন্ন ভূখণ্ডের ঐশী বাণীবাহক তথা রাসুলদেরকেই বলা হচ্ছে, ‘তোমরা রুকুকারীদের সাথে রুকু করো এবং সেজদাকারীদের সাথে সেজদা করো।’ বাংলায় অনুবাদ এভাবেও হ’তে পারে- ‘তোমরা অর্ধ-অবনতদের সাথে অর্ধাবনত হও এবং পূর্ণাবনতদের সাথে পূর্ণ-অবনত হও।’ ##### ০৯/০৭/২০১৪খ্রি:
-
13
Upaarjito ShampodEr Hisheb DekhanotE
উপার্জিত সম্পদের হিসেব দেখানোতে .. ---------------------------------------------------------------------------------- যারা বেশি বেশি উপার্জন করে এবং বেশি বেশি আয়কর দেয়, সভ্য রাষ্ট্রগুলোতে তাদেরকে সাধারণের চেয়ে বেশি বেশি মর্যাদা দেওয়া হয়। রাষ্ট্রের উন্নয়নের স্বার্থেই, রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের নিরাপত্তার জন্যে যেমন বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়, তেমনি রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বিশেষ মূল্যায়নে বিশেষ মর্যাদা দিয়ে তাদেরকে সম্মান দেখানোরও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়। বিনিময়ে, তারাও তাদের উপার্জিত সম্পদের হিসেব দেখানোতে, কোনো কার্পণ্য বা লুকোচুরি করে না। কোনো জোচ্চোর লুটেরা বা ধোঁকাবাজ ঋণখেলাপি ব্যক্তি কোনোভাবে যেন রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা না-পায়, কিম্বা কোনোভাবেই যেন রাষ্ট্রীয় সম্মানে মর্যাদাবানদের তালিকায় ঢুকতে না-পারে, সেদিকে কড়া নজর রাখাটাও অবশ্যই যেকোনো সচল রাষ্ট্রের-ই পবিত্র রাষ্ট্রীয় কর্তব্য। অপ্রদর্শনীয় সম্পদ অবৈধভাবে লুকিয়ে লুকিয়ে সামলাতে গিয়ে ধরা প’ড়ে কেউ যদি অপদস্থ হয় তো, সেটা তার নিজের-ই অপরাধে। অন্যের অপরাধে নির্দোষ কোনো ব্যক্তি শাস্তি পেয়ে যাবে- এমন কোনো বাউরা বিধান বা কোনো শয়তানি ধারা চালু রাখা সম্ভব নয় কোনো সচল রাষ্ট্রের বিচার-ব্যবস্থাপনাতে। দর্শক : আখতার২৩৯ ##### ২৩/০৫/২০১৫খ্রি: ***** উপার্জিত সম্পদের হিসেব দেখানোতে .. https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152951828047582
-
12
AwshamoVabaponnEr BanDhuttwE
অ-সম-ভাবাপন্নের বন্ধুত্বে --------------------------------------------- সমভাবাপন্ন না-হ’লেও অনেকের সাথেই আত্মীয়তার সম্পর্ক চলমান থাকতে পারে, তবে, বন্ধুত্বের সম্পর্কটি ভীষণ সংবেদনশীল। যারা সমভাবাপন্ন নয়, তাদের মধ্যেকার বন্ধুত্বের একটাই পরিণতি, বিশ্বাসঘাতকতা, এবং, অসম প্রতিপক্ষের ঐ বন্ধুত্বের সমাধি ঘটে অমানবিক প্রতিশোধ-পরায়ণতার প্রকাশের মাধ্যমে। বিসদৃশ বন্ধুত্বে প্রথম আঘাতটি আসে নীচ মানসিকতার বন্ধুটির অবিশ্বাস থেকে। সহ্যশীলতার অভাবেই উচ্চের প্রতিঘাতে ধস নামে গরমিলের বন্ধুত্বে। সামঞ্জস্যহীনতায় কোনো ব্যক্তিকে বন্ধু রূপে না-নিয়ে বরং আত্মীয় রূপে নেওয়াটাই নিরাপদ। বিসদৃশ হ’লেও অনেকের সাথেই আত্মীয়তার সম্পর্ক চলমান থাকতে পারে,- তবে বন্ধুত্ব! নিত্যই দুর্লভ, অবশ্যই বাস্তবে বন্ধুত্বের সম্পর্কটি ভীষণ প্রতিক্রিয়াশীল। দর্শক : আখতার২৩৯ ##### ০২/০৭/২০১৫খ্রি: বন্ধু https://www.facebook.com/note.php?note_id=141460337581 অ-সম-ভাবাপন্নের বন্ধুত্বে https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar-koronik/562993257181801
-
11
PurboProstuti Egaro
পূর্বপ্রস্তুতি : ১১(এগারো) ------------------------------------------ তুমি ওদেরকে সাধারণভাবে ‘কে বা কারা এই দেশটাকে হানাদার মুক্ত করেছিল?’ জিজ্ঞেস করলে, যদি ওরা সত্যাচারী হয়, তাহলে অবশ্যই ওরা বলবে, ‘নিশ্চয়ই এদেশের জনসাধারণের আন্তরিক সমর্থন এবং সহযোগিতা।’ কেউ-ই ‘আমি বা আমার দল’ এমন জবাব দিয়ে অন্যদের সাথে দলধ্বংসী কোন্দল বাঁধাবার ঝুঁকি নেবে না, কেহই সচেতনে মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করার ব্যর্থ চেষ্টায় আত্মঘাতী হ’তে চাইবে না। দুঃসময়ের ঘটনাগুলো কেউ-ই ভুলে যায়নি, তবুও দেখা যায়, কেবল বাণিজ্যিক স্বার্থে ওদের একাংশ জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ তো করলোই না, তারা হানাদারদের চেয়েও জঘন্য আচরণের প্রকাশ ঘটালো এদেশের শান্তিকামী জনগণের বিরুদ্ধে। সমস্ত অর্জনের সফলতার প্রশংসা নিজেদের দিকে টেনে নিলো আর ঘৃণ্যতম যে কাজটি তারা করলো, সেটা ছিল সনদ প্রদানের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের বিভক্তিকরণ এবং কোঠা বাণিজ্য। সাধারণ জনগণের উন্নতিতে ওরা এমনভাবে বাধা দিল যে, বিশাল সম্ভাবনাময় একটা জনগোষ্ঠী বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোর কাছে দয়াপ্রার্থী হিসেবে পরিচিতি পেলো। ধর্মব্যবসায়ীরাও ফাঁক ফোকর বুঝে তাদের স্বর্গ বেচার সুযোগটা নিল, মূর্খদের মাঝে তাদের প্রতারণা চালাতে পারলো সমান তালে। (চূড়ান্ত লাভের এ কারবারে স্বর্গ বিক্রেতারা প্রচূর পরিমাণে জাগতিক সম্পদের মালিকানা পেলো, ক্রেতারা বেহেস্তের টিকেট কিনে নিয়ে তাদের জীবদ্দশায় এ-জগতে দারিদ্র্যের যন্ত্রণা পেয়েও সন্তুষ্ট থাকলো। সস্তায় কিনে রাখা স্বর্গের টিকেটটা ক্রেতার মরদেহের কাফনের সাথে কবরে দেওয়া হচ্ছে কি-না, তা’ পরখ ক’রে নিচ্ছে তার সঙ্গীদের মধ্যে যারা জীবিত আছে।) দুই ধরণের মুক্তিযোদ্ধা সনদ আর বহু তরিকার স্বর্গের টিকেট বিক্রেতার দখলের এই দেশে, দক্ষ এবং যোগ্য মানবসন্তানগুলো নিজেদের কর্মসংস্থান খুঁজে না-পেয়ে মাদকাসক্তি আর হতাশায় ডুবে যেতে বাধ্য হলো। দখলদারেরা অযোগ্য আর লোভীদেরকে খুঁজে খুঁজে কিনে নিয়ে নিয়ে নিজেদের স্বার্থে তাদেরকে যোগ্যদের আসনে বসতে দিল। সকল গণবিরোধী কীর্তিকলাপ তারা চালালো তাদের শয়তানি কৌশলে। না-বুঝে অচেতনে কেউ যে কিছু করেনি, তা’ বোঝা যায় তাদের দেশত্যাগী হওয়ার পূর্বপ্রস্তুতি দেখে। যেকোনো সময়ে গণপিটুনি শুরু হবার আভাস পাওয়ামাত্র অন্য কোনো দেশে গিয়ে আশ্রয় নিতে যেন ঝামেলায় পড়তে না-হয়, এরা প্রত্যেকে তার নিজের পছন্দমতো দেশে আগামীতে থাকবার জন্যে নাগরিকত্ব নিয়ে রেখেছে। তাদের কেউ কেউ বিলাসবহুল অট্টালিকাও কিনে রেখেছে। গণকরণিক : আখতার২৩৯ বাংলাদেশ : ১৮/১০/২০১৩খ্রি:
-
10
Motamot ProkashEr Shwatantra SurakkhayE
মতামত প্রকাশের স্বাতন্ত্র্য সুরক্ষায় ---------------------------------------------------------- প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিজস্বত্ব ধারণ করার সম্মানে সম্মানিত। কেউ যদি চায় তো সসম্মানে সে তার নিজের সত্যকে যেকোনো ভাবে প্রকাশ করার চেষ্টা চালাতেই পারে। প্রত্যেকেই যখন তার নিজস্ব বোধনের স্বাধীনতায় আবদ্ধ, আন্তরিক ভাবেই যেখানে বন্দি, সেখানে কারো মতামত প্রকাশের স্বাতন্ত্র্যে বাধা দেওয়াটাই ঘৃণ্য শয়তানি, জঘন্য স্বেচ্ছাচারিতা। কোনো লেখকের কোনো প্রকাশিত সত্যকে সকল পাঠক সমভাবে সমর্থন করতে পারে না এ-জন্যেই যে, পাঠকেরাও প্রত্যেকে, নিজের মতো ক’রে জানা কোনো বিষয় সম্পর্কে, তার নিজস্ব সত্যকে অবিশ্বাস করতে পারে না সহজে। তবে, যেজন নিজের নির্ভুলতায় সন্দিহান, লিখিত কোনো কিছু প’ড়ে প’ড়ে পড়ার মাধ্যমেও নির্ভুল কিছু খুঁজে পেতে চান, পাঠক রূপে তিনি যেমন উচ্চ মানের পাঠক, লেখকের বিচারক রূপেও তিনি একজন মর্যাদাবান দক্ষ ব্যক্তি হিসেবেই গণ্য। সভ্য সচেতনেরা প্রত্যেকেই নিজের পরিবেষ্টিত অস্তিত্বকে পরিশুদ্ধ রূপে রাখার স্বার্থে অন্যদের মতামতকে সম্মানের সাথে মনোযোগে মূল্যায়ন ক’রে যেতে বাধ্য। কোনো লেখক যদি তার ব্যক্তিক কোনো সত্যকে সার্বজনীন সত্য হিসেবে, কিম্বা কোনো সার্বজনীন সত্যকে তার ব্যক্তিক সত্য হিসেবে দাবি করার চেষ্টা চালিয়ে নিজেকে অপদস্থ করার মধ্যে সার্থকতা খোঁজে, তখনি স্মরণীয়- সম্মানিত পাঠকেদের সচেতনতা কোনো লেখকের চেয়ে কোনো অংশেই বেশি ছাড়া কম নয়। দর্শক : আখতার২৩৯ ##### ০২/০৬/২০১৫খ্রি: ***** মতামত প্রকাশের স্বাতন্ত্র্য সুরক্ষায় https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152991180222582
-
9
Oiishi GronthoGulor Sachalataa
ঐশী গ্রন্থগুলোর সচলতা -------------------------------------------------------------- ‘ঐশী গ্রন্থ’ বা ‘ক্বূরআন’ নিজে কখনোই অচল ছিল না, কোথাও সচলও নয়। তবে নিজের ভাষায় নিজের সম্প্রদায়ের ঐশী গ্রন্থ (ক্বূরআন, অর্থাৎ, ‘নিত্য পাঠ্য’ বা ‘এখুনি পড়ো’) যারা পড়বে, তারা অবশ্যই নিজেরা লাভবান হবে এজন্যেই যে, তত্ত্ব-সমৃদ্ধ বিভিন্ন ধরণের নিদর্শন সহজভাবে মেলে ধরা বইগুলো পড়লে পরে আত্মপরিচিতিতে তারা নিজেরা মনুষ্য-বিচারে কতখানি সচল বা অচল, তা’ বুঝে নেওয়াটা তাদের জন্যেই সহজ হবে। যেকোনো ধরণের জ্ঞানে জ্ঞানী যে-কেউ তার নিজস্ব বুদ্ধিমত্তার যুক্তির জটলা থেকে বেরিয়ে এসে মুক্তমনে ঐশী গ্রন্থগুলো পড়তে পারলে, তার বর্তমান আচরণের সাথে তারই আগামীর পরিণতিকে মিলিয়ে নেওয়াটাও তার জন্যে সহজতর হবে। যেই ব্যক্তি নিজের বিভ্রান্তিগুলো বুঝতে পেরে নিজেকে নিজে শোধন ক’রে নিতে ইচ্ছুক, ঐশী গ্রন্থগুলো তারই জন্যে এবং তার স্বাধীন চাওয়ার মধ্যেই সহজতম মাধ্যম রূপে সহযোগী ঐশী গ্রন্থগুলোর সচলতা। অন্যকে শোধরানোর কোনো মন্ত্র নিয়ে এসেছে, এমন কোনো চলমান ঐশী গ্রন্থের সন্ধান কোনো সত্যাচারী সাধক বা ধার্মিকেরা দিতে পারেনি আজও। ##### ১৪/০৩/২০১৫খ্রি: ***** ঐশী গ্রন্থগুলোর সচলতা https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152802578997582
-
8
DhaarMikEr Kartabbo
নিশানায় শয়তানি বাড়াবাড়ি ***** অন্যেরাও তাদের অনুকরণে ধর্মাচারী হ’য়ে হ’য়ে যেন ঢেলা-কুলুফের ওজন মেপে মেপে মেছওয়াক করতে করতে নির্ভুলভাবে বেহেস্তের স্বর্গে যেতে পারে, সেই লক্ষ্যে স্বঘোষিত ধর্মরক্ষী কিছু উন্মত্ত ইজারাদার এমন জপমালাময় ব্যতিব্যস্ততায় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যে, তারা তাদের কর্মজগতে নিজেদের স্বেচ্ছাচারী কৃতকর্মের ফলাফলে নিজেরাই দোজখের নরকাগ্নির জ্বালানিতে পরিণত হচ্ছে কি-না, সেদিকেও লক্ষ্য রাখার সময় তারা পাচ্ছে না। গ্রন্থপাঠক মাত্রই জানেন যে, শাশ্বত ধর্মগ্রন্থগুলোর বাণীর সাথে তাদের ধর্মাচারের কোনো সম্পর্কই নেই। তাদের পীড়াপীড়ির দৃশ্যগুলো যতটা না হাস্যকর তামাশার মতো, তার চেয়ে তাদের সময়ের অপচয় এখানে অনেক বেশি রহস্যময়। এমনকী, ফেইসবুকেও তাদের নিরলস অদম্য নিষ্ঠা দারুণভাবে প্রকাশমান। ############################################################# ধার্মিকদের ধারণার নাগালের বাইরে ----------------------------------------------- --‘অবৈধ উপার্জনে পুষ্ট দেহের জন্যে জান্নাত হারাম’- এই ধরণের কোনো বাক্য যদি পবিত্র ক্বূরআনে বা হাদিসে পাওয়া যায়!! তাহলে জেনে বুঝেও যারা হজ্জ্ব বা ওমরা পালন করতে যায় অবৈধ উপার্জনের অর্থব্যয়ে,-- তারা কি তবে সেখানে যাচ্ছে জ্বালাময় জাহান্নামে প্রবেশের উদ্দেশ্যে? না-কি অপচয়কারী হিসেবে কোনো সনদ বা খেতাব অর্জনের লক্ষ্যে? এ ছাড়া অন্য কোনো লাভজনক বাণিজ্যিক কারণ যদি থেকে থাকে,- থাকতেও পারে, তবে তা’ ধার্মিকদের ধারণার নাগালের বাইরে। প্রতারকেরা মিথ্যাচারপ্রবণ, মিথ্যাকে সত্যের আবরণে জড়াতে পারঙ্গম, তাই তারা শয়তানের চেয়েও জঘন্য। মুনাফিকদের অনুকরণে অতিধার্মিকতা প্রদর্শন, প্রতারকদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হৈ-হুল্লোড়ে মেতে ওঠা কখনোই ধার্মিকদের জন্যে শোভনীয় তো নয়-ই,- উচিতও নয়। নিশ্চয়ই, মুনাফিকেরা লোকদেখানো ধোঁকাবাজিতে লিপ্ত। তাদের মুখ থেকে কোনো ধর্মের বুলি না-শুনে, বরং তাদের-ই হৃষ্ট-পুষ্ট দেহগুলোর জন্যে জান্নাত হারাম কি-না, তাদেরকেই জিজ্ঞেস ক’রে বুঝে নিয়ে, তাদেরকে ভদ্রভাবে ধর্মের দিকে ডাক দেওয়া সকল ধার্মিকের ধর্মীয় কর্তব্য। ***** নিশানায় শয়তানি বাড়াবাড়ি https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar-koronik/548175668663560 ***** ধার্মিকদের ধারণার নাগালের বাইরে https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152434570487582
-
7
JJLm Israel
সংযমের মাসেও বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড!.. ***** কোলের নিরস্ত্র শিশুদেরকেও হত্যা করা হয়েছে। মানবিকতায় কোনো ধরণের মানবহত্যার স্থান নেই। নিশ্চয়ই শয়তান শিকলবন্দি সংযমের মাস এই রমজানে। সংযমের মাসেও বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড! কোনো শয়তানির দায়ভার, অন্তত এই মাসটিতে, কোনোভাবেই শয়তানের ওপর চাপিয়ে দিয়ে বিবেচক কোনো মানবসন্তান তথা জগতের সচেতন কোনো জ্ঞানী ব্যক্তি কোনোভাবেই দায়মুক্তি পেতে পারে না। ভিনগ্রহের কেউ এসে কিছু ঘটায় না কিম্বা মানব সভ্যতার আড়াল থেকে জংলি কোনো জানোয়ার বেরিয়ে এসে এমন নৃশংস কিছু ঘটাচ্ছে না। সমাজের সভ্যদের কেউ যেন যুক্তির ফাঁক ফোকর দিয়ে বেরিয়ে যাবার ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়ে নিজের অপদস্থের তীব্রতা না-বাড়ায়। যারা আঘাত সইতে না-পেরে এ-জগৎ ছেড়ে গেছে, প্রতিশোধ নেবার জন্যে কখনোই যারা আর স্বরূপে ফিরে আসবে না,- যাবার আগে তারা যদি আঘাতকর্মীদেরকে ক্ষমাও ক’রে গিয়ে থাকে, তার পরেও এখানে জীবিত নিশ্চিন্ত জগদ্বাসী প্রত্যেকের জন্যে প্রত্যক্ষে এবং পরোক্ষে ভীষণ মারাত্মক পরিণতি অপেক্ষমাণ। ধর্মের প্রতি ভক্তি থাকলে হামাসের অনুসারীরা ফিলিস্তিনিদেরকে জিম্মি বানিয়ে আতঙ্কবাজি চালাতে পারতো না। মানবসমাজের প্রায়শ্চিত্তের নিদর্শন দেখার দিনটি সম্ভবত খুব বেশি দূরে নয়, বরং অতি নিকটেই। গণকরণিক : আখতার২৩৯ ##### ১৯/০৭/২০১৪খ্রি: ***** মানবসমাজের প্রায়শ্চিত্তের দিনটি সম্ভবত অতি নিকটেই https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152293857497582 ***** সংযমের মাসেও বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড!.. https://soundcloud.com/akhtar239/jjj ***** বীভৎস দৃশ্যগুলো প্রচারমাধ্যমে ছোটদেরকে না-দেখানোই ভালো https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152282499507582 ***** ইজ্রাইলের নৃশংসতা ঠেকাতে.. জুলাই, ২০১৪ https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152275879692582 ***** হামাস-ফাতাহ্ দ্বন্দ্ব http://www.somewhereinblog.net/blog/Koronik239happy/29967093
-
6
বাক্যানুবাদ জটিলতা ব্যাধি // BakJot Badhi
বাক্যানুবাদ জটিলতা ব্যাধি ----------------------------------- ‘চাওয়ার স্বাধীনতা’ সকলের সৃষ্টিগত অধিকার। গোপনের চাওয়াগুলো যুক্তি অনপেক্ষ, ব্যক্তিগত নীরব চাওয়া; -- ----সাধারণ হিসেবের গণিতে মেলে না। কেবল সত্যাচারীরাই সসম্মানে প্রকাশ্য উচ্চারণে চাইতে পারার বাক্স্বাধীনতা উপভোগ করে। একটি অর্থপূর্ণ পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বাক্য, ---- ----আমি এদেশের মানুষের কল্যাণ চাই। ---- ----সহজবোধ্য ক্রমে গুণে গুণে পাঁচটি শব্দ; --অর্থময় পাঁচটি শব্দ সজ্জিত একটি বাক্য। ----‘আমি’ অর্থ স্বয়ং বক্তা বাক্যের কর্তারূপে। ----‘এদেশের’ অর্থ একটা সীমাবদ্ধ ভূখণ্ডের। ----‘মানুষের’ অর্থ প্রাণিজগতের এক ধরনের প্রাণীর, ---- যে প্রাণীগুলো প্রাণিজগতে সকলের চেয়ে ‘মেধায়-বুদ্ধিতে’ শ্রেষ্ঠতম এবং ‘দেহগত দুর্বলতায়’ শ্রেষ্ঠতম। ----‘কল্যাণ’ অর্থ মঙ্গল ; অর্থাৎ সুখ, শান্তি, তৃপ্তি, নিরাপত্তা, সম্প্রীতি, সুবিচার, মূল্যায়ন, সম্মান ইত্যাদি ইত্যাদির সংমিশ্রনে ভালো অর্থে ভালো কিছু। ----‘চাই’ অর্থ উত্তম পুরুষে চাওয়া; প্রত্যাশা; কামনা; বাসনা; দাবি; নমনীয়ভাবে প্রার্থনা বা উগ্রভাবে কেড়ে নেবার চেষ্টা। সাধারণ সমাবেশে অনেকেই শুনলো যে, একজন বক্তা বললো,---- ----‘আমি এদেশের মানুষের কল্যাণ চাই।’ ঐ বক্তা তার কর্মে চেষ্টায় নিজের সত্যাচারিতার প্রতিফলনও ঘটালো; --কিন্তু, বাক্যানুবাদ কিম্বা শব্দার্থ জটিলতার কারণে শ্রোতারা তাকে মিথ্যাচারীর তালিকাভুক্ত করলো। সমাবেশে মানবাকৃতির ঐ বক্তার উচ্চারণে ‘আমি এদেশের মানুষের কল্যাণ চাই’ শুনে মানবাকৃতির শ্রোতারা যা’ ভেবেছিলো, ঠিক তার উল্টো ফল পেয়ে ঐ বক্তাকে মিথ্যাচারী হিসেবে গণ্য করলো। যথারীতি বক্তা এবং শ্রোতাদের মধ্যে একটা কোন্দলময় ভুল বুঝাবুঝির সম্পর্ক গড়ে উঠলো। নিরপেক্ষ তদন্তে দেখা গেল, ----ঐ সমাবেশে, বক্তা ও শ্রোতারা, উভয় পক্ষই বাক্যার্থের কিম্বা শব্দানুবাদের জটিলতায় ভোগার কারণেই ঘটনাটা ঘটেছিলো। সত্যাচারী বক্তা কোন্ অর্থে কোন্ শব্দটি প্রকাশ্য সমাবেশে উচ্চারণ করেছিলো তা’ ঐ সমাবেশেই জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে জেনে নিলে পরে উভয় পক্ষের মধ্যকার বিশ্বাসের সম্পর্ক নষ্ট হ’তো না। সত্যাচারী বক্তার নিজের এবং মুষ্টিমেয় নিজদলীয়দের দখলে সম্পদ বাড়ছিলো কিন্তু বহুসংখ্যক শ্রোতাদের দখলের সম্পদ ক্ষয় হচ্ছিল দেখে কেউ যদি দাবি করে যে, ঐ বক্তার ‘আমি এদেশের মানুষের কল্যাণ চাই’-উচ্চারণের মধ্যে প্রতারণা কিম্বা বিশ্বাসঘাতকতা ছিলো, --তাহলে সেই দাবিদার যে মানবাকৃতির একটা গ-মূর্খ নির্বোধ জীব, ----এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই; --ঐ বোকা শ্রোতা জানে না যে সত্যাচারী ঐ চালাক বক্তা ‘এদেশের মানুষ’ বলতে শুধু তার মনোনীত কিছুসংখ্যক নিজদলীয়দেরকেই বোঝে এবং বোঝাতেও চায়। ঐ বক্তা কোনো ভিন্নমতাবলম্বী কিম্বা প্রতিপক্ষ কোনো মানবাকৃতির জীবকে যদি মানুষ হিসেবে গণ্য করতো, ----তাহলে নিঃসন্দেহে সকলেরই কল্যাণ হ’তো। কোনো ভূখণ্ডের মানবাকৃতির প্রাণীগুলো যখন শব্দার্থ জটিলতা কিম্বা বাক্যানুবাদ জটিলতা ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়, সেখানকার শ্রোতাদের জন্য জরুরী হ’য়ে যায় ‘মুক্ত সমাবেশে বক্তাকে সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদ’। ----‘এদেশের মানুষ বলতে কী বোঝাতে চাও?’ --কোনো সাধারণ শ্রোতার এ প্রশ্নটির জবাবে, --‘আমাকে আর আমার দলের কিছুসংখ্যক মনোনীতকে বোঝাতে চাই আমি’ --এভাবে না-ব’লে ঐ বক্তা যদি বলে, --‘এদেশের বিবেকবান মানবসন্তান প্রত্যেকে এক এক জন মানুষ’ এবং এর পরে যদি দেখা যায়, সামগ্রিক কল্যাণ না-হ’য়ে কল্যাণ হ’চ্ছে শুধু চতুর ঐ বক্তার মনোনীত দলীয়দের, ----কেবলমাত্র তখনই বলা যেতে পারে ঐ বক্তা প্রতারক ছিলো। সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদের আগে অন্যকে প্রতারক বা মিথ্যাচারী বলার বাক্-স্বাধীনতা কোনো বিবেকবান মানবসন্তানকে দেওয়া হয়নি। গণকরণিক : আখতার২৩৯ ***** বাক্যানুবাদ জটিলতা ব্যাধি https://soundcloud.com/akhtar239/bakjot-badhi ***** ক্রীতদাসের ভাষায় ‘মানুষ’ শব্দটির ব্যবহার https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151630220097582 ***** বাক্যানুবাদ জটিলতা ব্যাধি https://www.facebook.com/note.php?note_id=117872072581
-
5
শাস্তির পাত্র নির্ধারণ // Shastir Patra Nirdharan
শাস্তির পাত্রনির্ধারণ ***** “অপরাধকর্মী, যথারীতি চিহ্নিত বদমাশ, -স্বেচ্ছায় কখনো অপরাধী হ’তে পারে না, -তাই, -সে মুক্তি পাক্ সসম্মানে; -- -তার প্রকাশ্য সহযোগীদেরকে বেঁধে স্মরণে রাখার মতো শাস্তি দেওয়া হোক্ বিধানে।” -- বদমাশগুলো প্রত্যেকেই মানবসন্তান। --যন্ত্রের মতোই নির্বোধ, --অভিশপ্তের আজ্ঞাবহ জীব, -এবং, তারা মৃত্যুভয়ে ভীত। -সহযোগী না-পেলে, -কোনো বদমাশ কখনো কিছুই করার ক্ষমতা রাখে না বিধানে। -বদমাশেরা চূড়ান্ত অক্ষম, --আত্মাহুতিপ্রবণ; -বিধানে অক্ষমেরা অপরাধী হ’তে পারে না। শাস্তি নয়, -অভিশপ্তের প্রাপ্য পরম অক্ষমতা, --বিধানে শাস্তি প্রাপ্য দোষীর॥ ‘অভিশপ্ত’ এবং ‘দোষী’, -সমার্থক নয়, -বরং, -ভিন্ন ভিন্ন অর্থই বহন করে। -সমার্থক হ’লে, -বদমাশেরাও অক্ষম না-হ’য়ে দোষী হ’তে পারতো, --- -এবং, -শাস্তি পেতে পারতো ন্যায্য বিচারে। অভিশপ্ত, বদমাশ অথবা যেকোনো অক্ষম-সত্তাকে নিরপেক্ষ বিচারে, -অপরাধীদের তালিকায় নিলে বিচার বিধান অচল হ’য়ে যায়। তবে, -সচেতন স্বাধীন সত্তা, --‘মানুষ’, - -চাইলেই দোষী হ’তে পারে। কেবলমাত্র মানুষই পারে, --লাভে-লোভে, - --বদমাশের সহযোগী কিম্বা সুযোগদাতা হ’য়ে শাস্তি পাওয়ার যোগ্য অপরাধী হ’তে॥ চূড়ান্ত অক্ষম বদমাশের স্বাধীনতা নেই, - -অভিশপ্তের নেই অপরাধী হওয়ার ক্ষমতা॥ ‘অক্ষমতার’র চেয়ে বড় কোনো যন্ত্রণা নেই বিধানে, -যা’ আগে থেকেই রাখা আছে বদমাশের বরাদ্দে। যেকোনো ‘অপরাধ’-এ, --শেষ বিচারে, --শাস্তি, - কেবল, -স্বাধীন মানুষের জন্যই অপেক্ষমাণ। --লোভী-সহযোগী কিম্বা নীরব-সুযোগদাতারাই অপমানকর শাস্তি পাওয়ার যোগ্য অপরাধী॥ কোনো বদমাশ যদি শাস্তি পেলো, -সে তো করুণা পেলো; -ঐ বদমাশ, -মানুষের সমকক্ষ হবার সুযোগ পেলো॥ দোষীও নয় নির্দোষও নয়, -অক্ষম অভিশপ্তরা শাস্তি পেয়ে মানুষের সমকক্ষ হ’লে! -- --মানদণ্ডহীনতায়, -স্বাধীন মানুষ হারাবে শ্রেষ্ঠত্ব; --বিধান বিকল, -সব একাকার॥ করণিক : আখতার২৩৯ ##### ০৩/০৭/২০০৩খ্রি:
-
4
মনোনয়ন // Nomination
গণতন্ত্রের চর্চা : দুই (মনোনয়নের মহড়া) গণতন্ত্রের চর্চা : এক (পরিচয় পর্ব) https://www.facebook.com/note.php?note_id=132071717581
-
3
পরিচিতি // Parichiti
***** মুক্তাঙ্গনে মুক্তভাষণ https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152531271197582 ***** মনোনয়ন সভায় মনোনীতের প্রতি https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar-koronik/130976433716821 ***** গণতন্ত্রের চর্চা : চার (সতর্কীকরণ) https://www.facebook.com/note.php?note_id=142048057581 ***** গণতন্ত্রের চর্চা : দুই (মনোনয়নের মহড়া) https://www.facebook.com/note.php?note_id=132507722581 ***** গণতন্ত্রের চর্চা : এক (পরিচয় পর্ব) https://www.facebook.com/note.php?note_id=132071717581
-
2
আমাদের অনুভব // Amader Anuvab
আমাদের অনুভব ####################### দ্বান্দ্বিকতা --------------------------------------------------------------- ‘সুযোগের অপব্যবহার’কে অপরাধ হিসেবে গণনায় না-নিলে, -বস্তুত, --প্রতিনিধিরা নির্দোষ। যে-জাতি তার প্রতিনিধিদের যথাযথ যত্ন নেয় না, খোঁজখবর-তদারকি-নজরদারি করে না, সে-ই জাতির অর্থাৎ জাতসরকারের জনপ্রতিনিধিরা পরিষদে থাকাকালে স্বেচ্ছাচারের সুযোগ পায় এবং পরিষদের বাইরে থাকাকালে সুযোগপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে বিরোধিতার জন্যেই বিরোধিতা করে। ############################################################# বিজন স্তুতি ------------------ জবাবদিহিতা, আদালত, পরিণতি, --ইত্যাদি আমাদের আঙ্গুলের ডগায়, --ওগুলো আমরা সহজেই কিনে নিতে পারি। আমরা কেবল গণপিটুনিকে ভয় পাই, --যত পাওয়া উচিত ভয় পাই তার চে' অনেক অনেক বেশি। যিনি সর্বময়ত্বের একমাত্র দাবিদার, --যেমন মহাপরাক্রমশালী, --তেমনি তিনি যে আবার পরম দয়াময়, ক্ষমাশীল, করুণাময়, --এ বিশ্বাস আমাদের আছে, আর তাই তো আমরা বিধাতাকে তত ভয় পাই না, যত ভয় পাই জনগণকে। কালচক্রে আমাদের সৌভাগ্য এটাই যে, গণপিটুনিদাতা জনগণ এখানে আত্মকোন্দলিত, --জেগেও তারা যেন ঘুমন্ত আর তাই তো আমরা বিভিন্ন দলোগণ এখানে মহাসুযোগপ্রাপ্ত, --নিরাপদে নির্ভয়ে প্রকাশ্যে আমাদের যত অপকর্ম নিরলসভাবে চালিয়ে যেতে পারি। জ্ঞানান্ধকারে থাকুক আত্মকোন্দলক্লান্ত জনগণ, --যেন তারা থাকে এমনতরো ঘুমন্ত অচেতন, --যতক্ষণ জাগেনি তারা, আমরা লাগামছাড়া। ############################################################# আমাদের অনুভব ----------------------------------------------------- এই জনপদ, এই ভূখণ্ড,-- এই সমতলে সবকিছুতেই সম্ভাবনার প্রাচুর্য ;-- --দোআঁশ মাটি আর উর্বর মন, -বিনাশ্রমে পাওয়া। সকল বর্তমান ‘হাল চাল চিত্র’ বা দশা’র একটাই কারণ,- -আমাদের অর্থাৎ ‘সাধারণ জনগণের’ সম্মিলিত চাওয়া॥ আমরা দলাদলি কোন্দল চাই, -ফলে, --দলে দলে কোন্দল পাই। যখন আমরা চাই শান্তিপূর্ণ সহ অবস্থান,-- হাল চাল চিত্রে দেখা যায়, -সবে মিলে সমাজবদ্ধ আমরা, --সভ্য মানবসন্তান॥ এখানে অন্যের ক্ষতি করে না যে-জন, --আমরা তাকে দেই না অশ্রদ্ধার আসন। আমরা সত্য সাক্ষী, -আমাদের পরিচয়?- --আমরা এই ভূখণ্ডের সাধারণ জনগণ॥ পরস্পর বিরোধিতা নিয়ে ডানে ডান থাকে, বাঁ’য়ে থাকে বামের অবস্থান; মধ্যস্থতায় আসতে বাধ্য সকলে, -আত্মরক্ষার টানে, --যখন গণজাগরণে ঘটে দুরাত্মার প্রস্থান॥ ***** নারদীয় স্বপ্নগুলো দেখার মধ্যে কোনো ধর্মীয় পাপ নেই https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10152542001152582 ***** সক্রিয় জনগণের অবর্তমানে https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151738186547582 ***** জিজ্ঞাসা সাধারণ: -ভাদ্র, ১৪২০ https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151739183177582 ***** আমাদের অনুভব https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/130794052581 ***** নিরাপত্তা প্রদান মালিকেরই কর্তব্য https://www.facebook.com/note.php?note_id=10150263838592582 ***** নয় কি?... https://www.facebook.com/note.php?note_id=10150689527197582 ***** অসচ্ছল, সচ্ছল এবং অসচ্ছলায়িত সম্পর্কে https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151737765912582 ***** বিজন স্তুতি https://www.facebook.com/note.php?note_id=416387172581 ***** জনগণের চাহিদাপত্র, ১৩/১১/২০১৩, বাংলাদেশ https://www.facebook.com/notes/koronik-akhtar/10151791530027582 ***** স্থিতি স্থাপক https://www.facebook.com/note.php?note_id=10150469637317582
-
1
হিমগার // Heemagaar
Self-descriptive হিমাগার ---------------------------- হিমাগারে ইলিশ রাখার বৈধতা দিয়ে বাজারটাকে রেখেছি লাগামহীন আজব আমরা প্রাণিগোষ্ঠী, খামখেয়ালি জনগণ যুক্তিহীন-হাতে-গোণা কয়েকজন ইজারাদার আমাদের সম্মতিতেই পেয়েছে অনুমোদন; মৌসুমের তাজা ইলিশ দ্রুতবেগে হিমাগারে ঢোকে আর ধীরে ধীরে বাসি থেকে বাসিতর হয়। হিমাগার ধারণক্ষমতা হারালে অথবা সংকটে সাজানো চাহিদায় হিমায়িত ইলিশগুলোকে দেখা যায় বয়স্ক বাচ্চাদের সঙ্গে মাছের বাজারে কখনো বা ওগুলো হিমায়িত পোনার পোনা হাল-মৌসুমের তাজা বংশধরের পাশে ইজারাদারের বকশিশে তৃপ্ত বাজার-পরিদর্শক তৃপ্তির হাসি হাসে বাসী ইলিশগুলো পচতেই পারে না আমাদের সম্মতিতে ..... ..... অথচ নিত্য অনটন জেলেদের সংসারে জানে না তারা তাদের ধরা মাছের কত চড়া মূল্য মুক্ত বাজারে ভোক্তা জনসাধারণের দর কষাকষির ফাঁকে অভিজাত-ভিখারিদের কেউ কেউ এসে ছোঁ মেরে নিয়ে যায় যেকোনো বাজার দরে। সাধারণ ক্রেতারা ঘরে ফিরে সর্ষেবাটা-আলুভাজা খেতে খেতে ঢেকুর তুলতে তুলতে ঘোষণা করে, --পচা ইলিশ খাই না আমরা অত চড়া দরে। করণিক : আখতার২৩৯ রঙ্গপুর : ১৫/১০/২০০৪খ্রি:
We're indexing this podcast's transcripts for the first time — this can take a minute or two. We'll show results as soon as they're ready.
No matches for "" in this podcast's transcripts.
No topics indexed yet for this podcast.
Loading reviews...
ABOUT THIS SHOW
Podcast by Akhtar239
HOSTED BY
Akhtar239
Loading similar podcasts...